ওমর ফারুক
আপার কম্পিউটারে যদি ইলাস্ট্রেটর এপ্লিকেশনটি ভালোভাবে ইন্টল করা থাকে
তাহলে অন্যান্যা প্রোগ্রাম চালু করার ন্যায় ইলাস্ট্রেটর চালু করতে পারেন ।
ইলাস্ট্রেটর উইন্ডো পরিচিতি
ইলাস্ট্রেটর প্রোগ্রাম চালু করে উইন্ডো আসে।1.menu Bar
উইন্ডোর উপরে File,Edit,Object, Type,Select,Filter,Effect,View,
Windows,Help ইত্যাদি লেখা বারকে মেনুবার বলে ।
ইলাস্ট্রেটরের নতুন সংষ্করণ গুলোতে মেনুবারে দশটি মেনুর নাম থাকে ।
যেমন File হলো একটি ফাইল মেনুর নাম ।
মেনুর নামে ক্লিক করলে অথবা Alt
কি চেপে আন্ডার লাইন অক্ষর চাপলে
মেনু ওপেন হয় । মেনুতে বিভিন্ন কমান্ড থাকে ।
2.
Document Window
মেনু বারের নিচে ডকুমেন্ট উইন্ডো ।এর টাইটেল বারে ইলাস্ট্রেটর ফাইলের নাম এবং
ব্রাকেট প্র্র্র্রদনে শতকরা হার সংখ্যা দেখা যায় ।
র্আট ওয়াক সেভ না করা অবস্থায় টাইটেল বারে
Untitled art লেখা প্রর্দিশত হয় ।
3.
ToolBox
উইন্ডোর বাম পাশে বিভিন্ন আইকন সংবলিত টুলসমূহ নিয়ে প্রর্দিশত বক্সকে টুলবক্স বলা হয় ।
টুলবক্সের বিভিন্ন টুল ব্যবহার করে র্আট করা হয় ।
Page Border
স্ক্রীনের কেন্দ্র বরাবর আয়াতকার ডটডট চিহ্নিত লাইনকে পেজ বডার বলে ।4.
Art Borad
স্ক্রীনের কেন্দ্র বরাবর সলিড লাইনের আয়াতকার বক্সকে র্আট বোড বলে ।আট বোডে আট করা হয় ।
5.
Print Area
র্আট বোডে পেইজ বডারের ভিতরের এরিয়াকে প্রিন্ট এরিয়া বলা হয় ।
এই এরিয়াক অবজেক্ট প্রিন্ট হয় ।
6.
Scratch area
র্আট বোডের এরিয়াকে Scratch area এরিয়া বল বলা হয় ।এ এরিয়া র্আট ওয়াক তৈরির জন্য বিভিন্ন অংশ তৈরি করা যায় ।
এডিট করা যায় এবং সংরক্ষন করা যায় ।
এখানে সংরক্ষিত উপাদান সমূহ দৃশ্যমান থাকে ।
তবে এগুলো প্রিন্ট হয় না ।
স্ক্র্যাচ এরিয়ায় বিভিন্ন অঃশ ড্রয়িং করে র্আট
বোডে এনে র্আট ওয়াক তৈরি করা যায় ।
Status Bar
এখানে বিভিন্ন অবস্থায় যেমন টুলব্যবহার করা হয়েছে তা প্রর্দশিত হয়।
এখানে ক্লিক করে প্রদশিত মেনু থেকে যা নিবাচন করা হয়,,
সে সর্ম্পকিত র্তথ্য প্রদর্শিত হবে ।
7.
Scrollbar
উইন্ডোর ডান দিকে র্ভর্টিক্যালএবং নিচের ডান অংশের হরিজন্টাল
স্ক্রলবার ব্যবহার করে র্আট ওয়াকে স্ক্রীন বড ছোট করা যায় ।
Palette
ইলাস্ট্রেটরে কাজ করার ক্ষেত্রে প্যালেট একটি গুরুত্ব পূর্ণ ব্যাপার ।সাধারনত প্যালেট উইন্ডোর মাধ্যমে
ইলাস্ট্রেটরে বিভিন্ন অবজেক্ট এডিট করা হয় ।
সাধারনত এই প্যালেট গুলো উইন্ডো মেনু হতে নির্দেশ প্রদান করে ওপেন করা যায় ।
যেমন অবজেক্টকে কালার করাসহ এর কালার মোড নির্বাচনের জন্য
কালার প্যালেট রয়েছে ।
মনে রাখতে হবে প্যালেট খোলা রেখেই
আমরা যে কোন কাজ করতে পারি ।
ডায়ালক বক্স
ইলাস্ট্রেটরে বক্স প্যালেটের মতোই একটি ইন্টাফেস এলিমেন্ট ,তবে এর সাথে মৌলিক কিছু পার্থক্য রয়েছে ।
সাধারনত প্যালেট হচ্ছে ,একটি স্বাধীন উইন্ডো
এবং উইন্ডো মনেু হতে র্নিদিষ্ট প্যালেটের জন্য
নির্ধারিত কমান্ড দিয়ে যে কোন সময় যে কোন প্যালেট খোলা যায় ।
এমনকি ইলাস্ট্রেটর ওপেন করার পর কোন নতুন ডকুমেন্ট
না খুলেও প্যালেটকে পর্দায় প্রদর্শিত করা যাবে ।
অন্য দিকে ডায়ালক বক্স ইচ্ছে নির্দিষ্ট কমান্ড দেবার পর
সেই কমান্ডের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মানকে এডিটং এর জন্য ওপেন হয় ।
যে কোন প্যালেট খোলা রেখে আপনি ইলাস্ট্রেটরে কাজ করতে পারবেন ।
কিন্তু ডায়ালক বক্স খোলা রেখে কোন কাজ করতে পারবেন না ।
যতক্ষন না পর্যন্ত ওকে বা কেন সেল না করেন ।
ইলাস্ট্রেটর ডায়ালক বক্সের বিভিন্ন
ইন্টারফেস এলিমেন্ট বর্ণনা যুক্ত করা হলো ।
এক ড্রপউাউন মেনু
ডায়ালক বক্সের গুরুত্বপূর্ন হচ্ছে ড্রপডাউন মেনু ।
র্নিদিষ্ট একটি অপশনের পাশে তীর চিহ্নে ক্লিক করলে ,
এই ধরনের ড্রপডাউন আসতে পারে ।
দুই ইনপুট বক্সকে
কোন অপশনের জন্য র্নিদিষ্ট মান টাইপ করে দেবার জন্যইলাস্ট্রেটর ডায়ালক ইনপুট রয়েছে ,
3.স্ক্রলার
ডায়ালক বক্সে এই ধরনের আাইটেম থাকে সাধারনত,কোন মানকে দ্রুত বাডানো কমানো যায় ।
4 স্পিনার
ডায়ালক বক্সে বিভিন্ন আইটেরজন্য নিদিষ্ট মান দেয়ার ক্ষেত্রে দ্রুততার ,
জন্য স্পিনার ব্যবহার করা হয় । উপরের তীর চিহ্নে ক্লিক করলে,
মান বৃদ্ধি পায় ,এবং নিচের তীর চিহ্নে ক্লিক করলে মান কমতে থাকে ।
5 রেড়িও বাটন ও চেক
ড্রপ শ্যাডো ডায়ালক বক্সে সব শেষ কালার ওডাকনেস অপশনের পাশের দুটি বৃত্তকার দুটি ঘর রয়েছে ।
এই অপশন গুলো র্কাযকর করার
জন্য নিদিষ্ট অপশনের ঘরটি ক্লিক করলে ,
ঘরটির মাঝে একটি বিন্দু বসে ,
র্অথাৎ ঘরটি সিলেক্ট হয়ে থাকে ।
ইলাস্ট্রেটরে ডায়ালক বক্সে এই ধরনের আর কিছু অপশন রয়েছে ।
ইলাস্ট্রেটরের প্রায় প্রতিটি ডায়ালক বক্সেই
প্রিভিউ নামের একটি করে চেক্স রয়েছে ।
এটি ইউজারকে নিদিষ্ট কমান্ডের জন্য মান দেবার
সাথে সাথে অবজেক্টের পরির্বতন লাইভ
ভাবে ডুকুমেন্ট প্রদর্শন করে ।
অর্থাৎ ড্রপশ্যাডো ডায়ালক
বক্সটির বাটনে চেক করে, আমরা যদি
এই ডায়ালক বক্সটির প্রিভিউ বাটনে চেক করি , আমরা যদি এই
ডায়ালক বক্সে কোন মানের পরির্বতন ঘটাই তবে
অবজেক্টের ওপর উপর যে প্রভাব পড়বে,
তা লাইভ ভাবে ডকুমেন্ট আপডেট হবে ।
আমরা ডকুমেন্ট ।তথা আমরা তখনই পরির্বতনটি দেখতে পাবো ।
তবে কেবল প্রিভিউয়ের জন্য চেক বক্স ব্যবহার হয় না ।
ডকুমেন্ট তৈরী করা
ইলাস্ট্রেটর প্রোগ্রাম শুরু করে ইলাস্ট্রেটর উইন্ডোতে আসুনর্নিদেশ File > New দিন অথবা Ctrl+N কীদ্বয় এক সাথে চাপুন ।
একটি ডায়ালক পর্দায় প্রদির্শত হবে ।
এটি Ok করে দিন ফলে একটি নতুন ডুকুমেন্ট তৈরী হবে ।
টুলবক্স হতে রেক্ট্যাঙ্গল টুলটি সিলেক্ট করুন ।
র্আটবোডে ক্লিক এবং ড্রাগ করে একটি রেক্ট্যাঙ্গল তৈরি করুন ।
0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন