বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৯

ইতিহাস বিজ্ঞান ...


ইতিহাস বিজ্ঞান ......

  অতঃপর আমি কাফেরদেরকে সুযোগ দিয়েছিলাম এরপর
  তাদেরকে পাকড়াও করেছিলাম অতএব কি ভীষণ ছিল আমাকে
অস্বীকৃতিএবং আমি লূতকে প্রেরণ করেছি। যখন সে স্বীয় সম্প্রদায়কে বললঃ
তোমরা কি এমন অশ্লীল কাজ করছ,
 যা তোমাদের পূর্বে সারা বিশ্বের কেউ করেনি ?
 তোমরা তো কামবশতঃ পুরুষদের কাছে গমন কর নারীদেরকে ছেড়ে।
 বরং তোমরা সীমা অতিক্রম করেছ।
আল কোরআন সুরা আরাফ আয়াত ঃ 80,81
অতঃপর আমি তাকে ও তাঁর পরিবার পরিজনকে বাঁচিয়ে দিলাম,
 কিন্তু তার স্ত্রী। সে তাদের মধ্যেই রয়ে গেল, যারা রয়ে গিয়েছিল।
 আমি তাদের উপর প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করলাম।
 তাঁর সম্প্রদায় এ ছাড়া কোন উত্তর দিল না যে, 
 বের করে দাও এদেরকে শহর থেকে। 
 এরা খুব সাধু থাকতে চায়।
 আল কোরআন সুরা আরাফ আয়াত ঃ82,83
 আমি মাদইয়ানের প্রতি তাদের ভাই শোয়ায়েবকে প্রেরণ করেছি।
 সে বললঃ হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা আল্লাহর এবাদত কর।
 তিনি ব্যতীত তোমাদের কোন উপাস্য নেই।
 তোমাদের কাছে তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রমাণ এসে গেছে।
 অতএব তোমরা মাপ ও ওজন পূর্ন কর এবং
 মানুষকে তাদের দ্রব্যদি কম দিয়ো না এবং
 ভুপৃষ্টের সংস্কার সাধন করার পর তাতে অনর্থ সৃষ্টি করো না।
 এই হল তোমাদের জন্যে কল্যাণকর, যদি তোমরা বিশ্বাসী হও।
 আল কোরআন সুরা আরাফ আয়াত ঃ85
 তার সম্প্রদায়ের কাফের সর্দাররা বললঃ যদি 
 তোমরা শোয়ায়েবের অনুসরণ কর, তবে নিশ্চিতই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
 আল কোরআন সুরা আরাফ আয়াত ঃ90
 অনন্তর পাকড়াও করল তাদেরকে ভূমিকম্প।
শোয়ায়েবের প্রতি মিথ্যারোপকারীরা যেন কোন দিন সেখানে বসবাসই করেনি।
 যারা শোয়ায়েবের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল, তারাই ক্ষতিগ্রস্থ হল
 । ফলে তারা সকাল বেলায় গৃহ মধ্যে উপুড় হয়ে পড়ে রইল।
   আল কোরআন সুরা আরাফ আয়াত ঃ91,92
   যখন মূসা (আঃ) স্বীয় সম্প্রদায়কে বললেনঃ
   আল্লাহ তোমাদের একটি গরু জবাই করতে বলেছেন।
   তারা বলল, তুমি কি আমাদের সাথে উপহাস করছ?
   মূসা (আঃ) বললেন, মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত
   হওয়া থেকে আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
   তারা বলল, তুমি তোমার পালনকর্তার কাছে আমাদের জন্য প্রার্থনা কর,
   যেন সেটির রূপ বিশ্লেষণ করা হয়। মূসা (আঃ) বললেন, তিনি বলছেন,
   সেটা হবে একটা গাভী, যা বৃদ্ধ নয় এবং কুমারীও নয়-বার্ধক্য
   ও যৌবনের মাঝামাঝি বয়সের। এখন আদিষ্ট কাজ করে ফেল।
   তারা বলল, তোমার পালনকর্তার কাছে আমাদের জন্য প্রার্থনা কর যে,
   তার রঙ কিরূপ হবে? মূসা (আঃ) বললেন,
   তিনি বলেছেন যে, গাঢ় পীতবর্ণের গাভী-যা দর্শকদের চমৎকৃত করবে।
   তারা বলল, আপনি প্রভুর কাছে প্রার্থনা করুন-তিনি বলে দিন যে, সেটা কিরূপ?
   কেননা, গরু আমাদের কাছে সাদৃশ্যশীল মনে হয়।
   ইনশাআল্লাহ এবার আমরা অবশ্যই পথপ্রাপ্ত হব। মূসা (আঃ) বললেন,
   তিনি বলেন যে, এ গাভী ভূকর্ষণ ও জল
   সেচনের শ্রমে অভ্যস্ত নয়-হবে নিষ্কলঙ্ক, নিখুঁত।
   তারা বলল, এবার সঠিক তথ্য এনেছ। অতঃপর তারা
   সেটা জবাই করল, অথচ জবাই করবে বলে মনে হচ্ছিল না।
   যখন তোমরা একজনকে হত্যা করে পরে সে সম্পর্কে একে অপরকে অভিযুক্ত করেছিলে।
   যা তোমরা গোপন করছিলে, তা প্রকাশ করে দেয়া ছিল আল্লাহর অভিপ্রায়।
    অতঃপর আমি বললামঃ গরুর একটি খন্ড দ্বারা মৃতকে আঘাত কর।
এভাবে আল্লাহ মৃতকে জীবিত করেন এবং
তোমাদেরকে তাঁর নিদর্শণ সমূহ প্রদর্শন করেন-যাতে তোমরা চিন্তা কর।
  আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 67 -73 
  হে আহলে-কিতাবগণ! তোমাদের কাছে আমার রাসূল আগমন করেছেন! 
  কিতাবের যেসব বিষয় তোমরা গোপন করতে,
  তিনি তার মধ্য থেকে অনেক বিষয় প্রকাশ করেন
  এবং অনেক বিষয় মার্জনা করেন।
  তোমাদের কাছে একটি উজ্জল জ্যোতি
  এসেছে এবং একটি সমুজ্জল গ্রন্থ।
  আল কোরআন সুরা মায়েদা আয়াত ঃ 15
  নিশ্চয় তারা কাফের, যারা বলে, মসীহ ইবনে মরিয়মই আল্লাহ।
  আপনি জিজ্ঞেস করুন, যদি তাই হয়, তবে বল যদি আল্লাহ মসীহ ইবনে মরিয়ম,
  তাঁর জননী এবং ভূমন্ডলে যারা আছে, তাদের সবাইকে ধ্বংস করতে চান,
  তবে এমন কারও সাধ্য আছে কি যে আল্লাহর কাছ থেকে তাদেরকে
  বিন্দুমাত্রও বাঁচাতে পারে? নভোমন্ডল, ভুমন্ডল ও এতদুভয়ের মধ্যে যা আছে,
  সবকিছুর উপর আল্লাহ তা’আলার আধিপত্য।
  তিনি যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সবকিছুর উপর শক্তিমান।
   আল কোরআন সুরা মায়েদা আয়াত ঃ 17
   আমি তোমার নিকট উত্তম কাহিনী বর্ণনা করেছি,
   যেমতে আমি এ কোরআন তোমার নিকট অবতীর্ণ করেছি।
   তুমি এর আগে অবশ্যই এ ব্যাপারে অনবহিতদের অন্তর্ভূক্ত ছিলে।
   আল কোরআন সুরা ইউসুফ আয়াত ঃ 3
   তিনি বললেনঃ বৎস, তোমার ভাইদের সামনে এ স্বপ্ন বর্ণনা করো না।
   তাহলে তারা তোমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করবে। নিশ্চয় শয়তান মানুষের প্রকাশ্য। 
   আল কোরআন সুরা ইউসুফ আয়াত ঃ 5
   এবং একটি কাফেলা এল। অতঃপর তাদের পানি সংগ্রাহককে প্রেরণ করল।
   সে বালতি ফেলল। বললঃ কি আনন্দের কথা। 
   এ তো একটি কিশোর তারা তাকে পন্যদ্রব্য গণ্য করে গোপন করে ফেলল।
   আল্লাহ খুব জানেন যা কিছু তারা করেছিল।
   ওরা তাকে কম মূল্যে বিক্রি করে দিল গনাগুণতি 
   কয়েক দেরহাম এবং তাঁর ব্যাপারে নিরাসক্ত ছিল।
   মিসরে যে ব্যক্তি তাকে ক্রয় করল, সে তার স্ত্রীকে বললঃ একে সম্মানে রাখ।
   সম্ভবতঃ সে আমাদের কাছে আসবে অথবা আমরা তাকে পুত্ররূপে গ্রহণ করে নেব। 
   এমনিভাবে আমি ইউসুফকে এদেশে প্রতিষ্ঠিত করলাম
   এবং এ জন্যে যে তাকে বাক্যাদির পূর্ণ মর্ম অনুধাবনের পদ্ধতি বিষয়ে শিক্ষা দেই। 
   আল্লাহ নিজ কাজে প্রবল থাকেন, কিন্তু অধিকাংশ লোক তা জানে না।
   আল কোরআন সুরা ইউসুফ আয়াত ঃ19-21
   মিসরে যে ব্যক্তি তাকে ক্রয় করল, সে তার স্ত্রীকে বললঃ একে সম্মানে রাখ।
   সম্ভবতঃ সে আমাদের কাছে আসবে অথবা আমরা তাকে পুত্ররূপে গ্রহণ করে নেব।
   এমনিভাবে আমি ইউসুফকে এদেশে প্রতিষ্ঠিত করলাম
   এবং এ জন্যে যে তাকে বাক্যাদির
   পূর্ণ মর্ম অনুধাবনের পদ্ধতি বিষয়ে শিক্ষা দেই।
   আল্লাহ নিজ কাজে প্রবল থাকেন,
   কিন্তু অধিকাংশ লোক তা জানে না।
   মূসা তাঁকে বললেনঃ আমি কি
   এ শর্তে আপনার অনুসরণ করতে পারি যে,
   সত্যপথের যে জ্ঞান আপনাকে শেখানো হয়েছে,
   তা থেকে আমাকে কিছু শিক্ষা দেবেন?
   তিনি বললেনঃ আপনি আমার সাথে
   কিছুতেই ধৈর্য্যধারণ করে থাকতে পারবেন না।
   যে বিষয় বোঝা আপনার আয়ত্তাধীন নয়,
   তা দেখে আপনি ধৈর্য্যধারণ করবেন কেমন করে?
   মূসা বললেনঃ আল্লাহ চাহেন তো আপনি আমাকে ধৈর্য্যশীল পাবেন
   এবং আমি আপনার কোন আদেশ অমান্য করব না।
   তিনি বললেনঃ যদি আপনি আমার অনুসরণ করেনই
   তবে কোন বিষয়ে আমাকে প্রশ্ন করবেন না,
   যে পর্যন্ত না আমি নিজেই সে সম্পর্কে আপনাকে কিছু বলি।
   অতঃপর তারা চলতে লাগলঃ অবশেষে যখন তারা নৌকায় আরোহণ করল,
   তখন তিনি তাতে ছিদ্র করে দিলেন। মূসা বললেনঃ আপনি কি
   এর আরোহীদেরকে ডুবিয়ে দেয়ার জন্যে এতে ছিদ্র করে দিলেন?
   নিশ্চয়ই আপনি একটি গুরুতর মন্দ কাজ করলেন।
   তিনি বললেনঃ আমি কি বলিনি যে, আপনি আমার সাথে কিছুতেই ধৈর্য্য ধরতে পারবেন না ?
   মূসা বললেনঃ আমাকে আমার ভুলের জন্যে অপরাধী করবেন
   না এবং আমার কাজে আমার উপর কঠোরতা আরোপ করবেন না।
   অতঃপর তারা চলতে লাগল। অবশেষে যখন একটি বালকের সাক্ষাত পেলেন,
   তখন তিনি তাকে হত্যা করলেন। মূসা বললেন?
   আপনি কি একটি নিস্পাপ জীবন শেষ করে দিলেন প্রাণের বিনিময় ছাড়াই?
   নিশ্চয়ই আপনি তো এক গুরুতর অন্যায় কাজ করলেন।
   তিনি বললেনঃ আমি কি বলিনি যে, আপনি আমার সাথে ধৈর্য্য ধরে থাকতে পারবেন না।
   মূসা বললেনঃ এরপর যদি আমি আপনাকে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করি,
   তবে আপনি আমাকে সাথে রাখবেন না।
   আপনি আমার পক্ষ থেকে অভিযোগ মুক্ত হয়ে গেছেন।
   অতঃপর তারা চলতে লাগল,
   অবশেষে যখন একটি জনপদের অধিবাসীদের কাছে
   পৌছে তাদের কাছে খাবার চাইল,
   তখন তারা তাদের অতিথেয়তা করতে অস্বীকার করল।
   অতঃপর তারা সেখানে একটি পতনোম্মুখ প্রাচীর দেখতে পেলেন,
   সেটি তিনি সোজা করে দাঁড় করিয়ে দিলেন।
   মূসা বললেনঃ আপনি ইচ্ছা করলে তাদের কাছ
   থেকে এর পারিশ্রমিক আদায় করতে পারতেন।
   তিনি বললেনঃ এখানেই আমার ও আপনার মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ হল।
   এখন যে বিষয়ে আপনি ধৈর্য্য ধরতে পারেননি, আমি তার তাৎপর্য বলে দিচ্ছি।
   নৌকাটির ব্যাপারে-সেটি ছিল কয়েকজন দরিদ্র ব্যক্তির।
   তারা সমুদ্রে জীবিকা অন্বেষন করত।
   আমি ইচ্ছা করলাম যে, সেটিকে ক্রটিযুক্ত করে দেই।
   তাদের অপরদিকে ছিল এক বাদশাহ।
   সে বলপ্রয়োগে প্রত্যেকটি নৌকা ছিনিয়ে নিত।
   বালকটির ব্যাপার তার পিতা-মাতা ছিল ঈমানদার।
   আমি আশঙ্কা করলাম যে, সে অবাধ্যতা ও কুফর দ্বারা তাদেরকে প্রভাবিত করবে।
   অতঃপর আমি ইচ্ছা করলাম যে, তাদের পালনকর্তা তাদেরকে মহত্তর,
   তার চাইতে পবিত্রতায় ও ভালবাসায় ঘনিষ্ঠতর একটি শ্রেষ্ঠ সন্তান দান করুক।
   প্রাচীরের ব্যাপার-সেটি ছিল নগরের দুজন পিতৃহীন বালকের।
   এর নীচে ছিল তাদের গুপ্তধন এবং তাদের পিতা ছিল সৎকর্ম পরায়ন।
   সুতরাং আপনার পালনকর্তা দায়বশতঃ ইচ্ছা করলেন যে, তারা যৌবনে পদার্পন করুক
   এবং নিজেদের গুপ্তধন উদ্ধার করুক। আমি নিজ মতে এটা করিনি।
   আপনি যে বিষয়ে ধৈর্য্যধারণ করতে অক্ষম হয়েছিলেন, এই হল তার ব্যাখ্যা।
   আল কোরআন সুরা কাফ আয়াত  ঃ 65 -82
   তারা বললঃ হে যুলকারনাইন, ইয়াজুজ ও মাজুজ দেশে অশান্তি সৃষ্টি করেছে।
   আপনি বললে আমরা আপনার জন্যে কিছু কর ধার্য করব এই শর্তে যে,
   আপনি আমাদের ও তাদের মধ্যে একটি প্রাচীর নির্মাণ করে দেবেন।
   তিনি বললেনঃ আমার পালনকর্তা আমাকে যে সামর্থ দিয়েছেন,
   তাই যথেষ্ট। অতএব, তোমরা আমাকে শ্রম দিয়ে সাহায্য কর।
   আমি তোমাদের ও তাদের মধ্যে একটি সুদৃঢ় প্রাচীর নির্মাণ করে দেব।
   তোমরা আমাকে লোহার পাত এনে দাও।
   অবশেষে যখন পাহাড়ের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থান পূর্ণ হয়ে গেল,
   তখন তিনি বললেনঃ তোমরা হাঁপরে দম দিতে থাক।
   অবশেষে যখন তা আগুনে পরিণত হল,
   তখন তিনি বললেনঃ তোমরা গলিত তামা
   নিয়ে এস, আমি তা এর উপরে ঢেলে দেই।
   অতঃপর ইয়াজুজ ও মাজুজ তার উপরে আরোহণ
   করতে পারল না এবং তা ভেদ করতে ও সক্ষম হল না।
   যুলকারনাইন বললেনঃ এটা আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ।
   যখন আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুত সময় আসবে,
   তখন তিনি একে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবেন
   এবং আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুতি সত্য।
  আল কোরআন সুরা কাফ আয়াত  ঃ94-98
  তারা এমন লোক যাদেরকে আমি পৃথিবীতে শক্তি-সামর্থ
  দান করলে তারা নামায কায়েম করবে, যাকাত দেবে
  এবং সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ করবে।
  প্রত্যেক কর্মের পরিণাম আল্লাহর এখতিয়ারভূক্ত।
  তারা যদি আপনাকে মিথ্যাবাদী বলে, 
  তবে তাদের পূর্বে মিথ্যাবাদী বলেছে কওমে নূহ, আদ, সামুদ,
  ইব্রাহীম ও লূতের সম্প্রদায়ও।
  এবং মাদইয়ানের অধিবাসীরা এবং মিথ্যাবাদী বলা হয়েছিল মূসাকেও।র পরিণাম।
  আল কোরআন সুরা হাজ্জ আয়াত ঃ41-44
শেয়ার করুন