কাফেরদের সাথে আচরণ সর্ম্পকে .....
অতএব, তাদের অঙ্গীকার ভঙ্গের দরুন আমি তাদের উপর অভিসম্পাত করেছি
এবং তাদের অন্তরকে কঠোর করে দিয়েছি। তারা কালামকে তার স্থান থেকে বিচ্যুত করে দেয়
এবং তাদেরকে যে উপদেশ দেয়া হয়েছিল, তারা তা থেকে উপকার লাভ করার বিষয়টি বিস্মৃত হয়েছে।
আপনি সর্বদা তাদের কোন না কোন প্রতারণা সম্পর্কে অবগত হতে থাকেন,
তাদের অল্প কয়েকজন ছাড়া। অতএব, আপনি তাদেরকে ক্ষমা করুন এবং মার্জনা করুন।
আল্লাহ অনুগ্রহকারীদেরকে ভালবাসেন।
আল কোরআন সুরা মায়েদা আয়াত ঃ 13
আপন পালনকর্তার পথের প্রতি আহবান করুন জ্ঞানের কথা বুঝিয়ে ও উপদেশ শুনিয়ে উত্তমরূপে
এবং তাদের সাথে বিতর্ক করুন পছন্দ যুক্ত পন্থায়। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে
বিশেষ ভাবে জ্ঞাত রয়েছেন, যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে
এবং তিনিই ভাল জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে।
আল কোরআন সুরা নাহল আয়াত ঃ 125
বলুনঃ প্রত্যেকেই নিজ রীতি অনুযায়ী কাজ করে। অতঃপর আপনার পালনকর্তা
বিশেষ রূপে জানেন, কে সর্বাপেক্ষা নির্ভূল পথে আছে।
আল কোরআন সুরা বণী ইসরাঈল আয়াত ঃ 84
আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি।
বলুনঃ আমাকে তো এ আদেশই দেয়া হয়েছে যে, তোমাদের উপাস্য একমাত্র উপাস্য।
সুতরাংতোমরা কি আজ্ঞাবহ হবে?
অতঃপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে বলে দিনঃ আমি তোমাদেরকে
পরিস্কার ভাবে সতর্ক করেছি এবং আমি জানি না,
তোমাদেরকে যে ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তা নিকটবর্তী না দূরবর্তী।
তিনি জানেন, যে কথা সশব্দে বল এবং যে কথা তোমরা গোপন কর ।
আমি জানি না সম্ভবতঃ বিলম্বের মধ্যে তোমাদের জন্যে
একটি পরীক্ষা এবং এক সময় পর্যন্ত ভোগ করার সুযোগ।
আল কোরআন সুরা আম্বিয়া আয়াত ঃ 107-111
আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্যে এবাদতের একটি নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করে দিয়েছি,
যা তারা পালন করে। অতএব তারা যেন এ ব্যাপারে আপনার সাথে বিতর্ক না করে।
আপনি তাদেরকে পালনকর্তার দিকে আহবান করুন। নিশ্চয় আপনি সরল পথেই আছেন।
তারা যদি আপনার সাথে বিতর্ক করে, তবে বলে দিন, তোমরা যা কর, সে সর্ম্পকে আল্লাহ অধিক জ্ঞাত।
আল কোরআন সুরা হাজ্জ আয়াত ঃ 67,68
রহমান-এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে
এবং তাদের সাথে যখন মুর্খরা কথা বলতে থাকে, তখন তারা বলে, সালাম।
আল কোরআন সুরা ফুরকান আয়াত ঃ 63
আমি তো কেবল এই নগরীর প্রভুর এবাদত করতে
আদিষ্ট হয়েছি, যিনি একে সম্মানিত করেছেন। এবং
সব কিছু তাঁরই। আমি আরও আদিষ্ট হয়েছি যেন আমি আজ্ঞাবহদের একজন হই।
এবং যেন আমি কোরআন পাঠ করে শোনাই। পর যে ব্যক্তি সৎপথে চলে,
সে নিজের কল্যাণার্থেই সৎপথে চলে এবং কেউ পথভ্রষ্ট হলে আপনি বলে দিন,
আমি তো কেবল একজন ভীতি প্রদর্শনকারী।
আল কোরআন সুরা নমল আয়াত ঃ 91,92
তারা দুইবার পুরস্কৃত হবে তাদের সবরের কারণে।
তারা মন্দের জওয়াবে ভাল করে এবং আমি তাদেরকে যা দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে।
তারা যখন অবাঞ্চিত বাজে কথাবার্তা শ্রবণ করে, তখন তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়
এবং বলে, আমাদের জন্যে আমাদের কাজ এবং তোমাদের জন্যে তোমাদের কাজ।
তোমাদের প্রতি সালাম। আমরা অজ্ঞদের সাথে জড়িত হতে চাই না।
আল কোরআন সুরা কাসাস আয়াত ঃ 54,55
তোমরা কিতাবধারীদের সাথে তর্ক-বিতর্ক করবে না, কিন্তু উত্তম পন্থায়; তবে তাদের সাথে নয়,
যারা তাদের মধ্যে বে-ইনসাফ। এবং বল, আমাদের প্রতি ও তোমাদের
প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে, তাতে আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি।
আমাদের উপাস্য ও তোমাদের উপাস্য একই এবং আমরা তাঁরই আজ্ঞাবহ।
আল কোরআন সুরা আনকাবুত আয়াত ঃ 46
এরপর আমি একাদিক্রমে আমার রসূল প্রেরণ করেছি। যখনই কোন উম্মতের কাছে তাঁর রসূল আগমন করেছেন,
তখনই তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলেছে। অতঃপর আমি তাদের একের পর এক ধ্বংস করেছি
এবং তাদেরকে কাহিনীর বিষয়ে পরিণত করেছি। সুতরাং ধ্বংস হোক অবিশ্বাসীরা।
বলুন, আমাদের অপরাধের জন্যে তোমরা জিজ্ঞাসিত হবে না
এবং তোমরা যা কিছু কর, সে সম্পর্কে আমরা জিজ্ঞাসিত হব না।
বলুন, আমাদের পালনকর্তা আমাদেরকে সমবেত করবেন, অতঃপর
তিনি আমাদের মধ্যে সঠিকভাবে ফয়সালা করবেন। তিনি ফয়সালাকারী, সর্বজ্ঞ।
বলুন, তোমরা যাদেরকে আল্লাহর সাথে অংশীদাররূপে সংযুক্ত করেছ,
তাদেরকে এনে আমাকে দেখাও। বরং তিনিই আল্লাহ, পরাক্রমশীল, প্রজ্ঞাময়।
আল কোরআন সুরা সাবা আয়াত ঃ 24-27
আমার কি হল যে, যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং
যার কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে, আমি তাঁর এবাদত করব না?
আমি কি তাঁর পরিবর্তে অন্যান্যদেরকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করব? করুণাময় যদি
আমাকে কষ্টে নিপতিত করতে চান, তবে তাদের সুপারিশ
আমার কোনই কাজে আসবে না এবং তারা আমাকে রক্ষাও করতে পারবে না।
এরূপ করলে আমি প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় পতিত হব।
আমি নিশ্চিতভাবে তোমাদের পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলাম। অতএব আমার কাছ থেকে শুনে নাও।
আল কোরআন সুরা ইয়াসিন আয়াত ঃ 22-25
এরপর তাদের পরে আমি বহু সম্প্রদায় সৃষ্টি করেছি।
কোন সম্প্রদায় তার নির্দিষ্ট কালের অগ্রে যেতে পারে না। এবং পশ্চাতেও থকাতে পারে না।
এরপর আমি একাদিক্রমে আমার রসূল প্রেরণ করেছি। যখনই কোন উম্মতের কাছে তাঁর রসূল আগমন করেছেন,
তখনই তারা তাঁকে মিথ্যাবাদী বলেছে। অতঃপর আমি তাদের একের পর এক ধ্বংস করেছি
এবং তাদেরকে কাহিনীর বিষয়ে পরিণত করেছি। সুতরাং ধ্বংস হোক অবিশ্বাসীরা।
আল কোরআন সুরা মুমিনুন আয়াত ঃ 42-44

0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন