ধর্ষণ
ওমর ফারুক
ধর্ষণ
ওমর ফারুক
গোলাপের মহীরুহ পুষ্প কলি ;;
শত বিঙ্গের কল্লোল ।
গগনের সুধাকর সৃষ্টার দান ,
তাকে ছাড়া জগৎ জননী অকল্যাণ ।
হে নর পশু-হায়নার দল ,
কার দিকে দিয়েছো হস্তদ্বয় ,,
কোথায় তোমার ললাটে ।
কাকে করতে অপমান ,,
মহান আল্লাহ বাড়িয়েছে যার সম্মান ।
যাকে উপভোগ করার জন্য ফন্দি ফিকির ,
সেই তো হতে পারতো তোমার মা ।
যাকে নিয়ে হিংস শুকনের খেলায় মেতে উঠেছো ,,
সেই তো হতে পারতো তোমারি বোন ।
টাকার বিনিময়ে যাকে দালালের হাতে তুলে দিলে ,
সেই তো হতে পারতো তোমারি মেয়ে ।
যে রমণীদের নিয়ে রংধনু খেলায় মেতে উঠেছো ,,
তারা তো তোমাদেরই আত্মীয় স্বজন ।
হে নর পশু-হায়নার দল ,
কার দিকে দিয়েছো হস্তদ্বয় ,,
কোথায় তোমার ললাটে ।
যে,মায়ের সম্ভব লুন্ঠণে এতো কায়দা,
সেই মায়ের সম্ভব দিয়ে তোর ফয়দা ।
যে মায়ের ইজ্জতের জন্য সহস্র ছেলে দিয়েছে প্রাণ ,
তোর কাছে সেই মায়ের ইজ্জতের কি দাম ।
কাকে করতেছো তো উক্তোক্ত ,,
সেই কি তোকে করতেছে বিরক্ত ।
যার দিকে ধর্ষণের হাত বাড়িয়েছো ,,
একবার তার পুষ্প ময় মুখটি দেখ ,,
কোন অপরাধের চিহ্ন আছে কি না ?
তোর স্বজনদের ছবি ভাসে কিনা ?
হে নর পশু-হায়নার দল ,
কার দিকে দিয়েছো হস্তদ্বয় ,,
কোথায় তোমার ললাটে ।
ওরে নর-পশু হায়নার দল ,,
যাকে ধর্ষণ করলি ক্ষনিকের মোহে,,
গুম করলি নিজের অপরাধ ঢাকার জন্য ,,
নিজেকে বলিছ মহাসাধু গুণীজন প্রীতি ,,
ধরণীর বুকে আকঁলি কলংকের স্মৃতি ।
সৃষ্টা কি তার সৃষ্টিকে তুলে দিয়েছে তোর হাতে ,,
কেউ জানবে না -কেউ বলবে না মুখের উপর কথা ,,
তোর মতো কত পশু এই ধরায় এসে ,,
অহংকার আর দাম্বিকতার গহবরে তলিয়েছে ।
তোর ও পতন হবে সময়ের অপেক্ষা ,,
হাকীমের ঐ কাঠ গড়ায় বাঁচার উপায় নাই ।
হে নর পশু-হায়নার দল ,
কার দিকে দিয়েছো হস্তদ্বয় ,,
কোথায় তোমার ললাটে ।

0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন