বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১

নারী তুমি বহু রুপি

নারী তুমি বহু রুপি ওমর ফারুক

  নারী তুমি বহু রুপি
ওমর ফারুক

নারী তুমি বহু রুপি বিচিত্র বর্ণধারী ।
  কখনো   মা, কখনো   স্ত্রী, 
 কখনো সে বালিকা, কখনো বা প্রেমিকা -
 কখনো গৃহবধূ, কখনো চাকুরীরতা।
 
 তুমি দূর্গা স্বরসতী মহাকালী   ।
তোমার হাতে প্রকৃতির ভালো মন্দ সবি !
এক হাতে র্খগ অন্য হাতে শাস্ত্রের বাণী !
তুমি মহামায়া তুমি বিনাশ ,
তুমি নাশ হতে আনো ফিরে !

 তুমি আধাঁর আলো তুমি ধ্বংশলীলা ,
তুমি বিচিত্রমায়া বিচিত্র রুপ ধারী ।
তুমি উদিত সূর্য ন্যায় পরায়ন জলধারী ,
যুগ যুগ ধরে তোমার জয়ধ্বনী ।
তুমি বেঁচে থাকার আশার আলো ,
পথ ভোলা পথিকের জ্যোতি চিহ্ন ।
তুমি শত ব্যাথা পেলে হেসে ওঠো ,
তুমি বড়ই মিথ্যাবাদী !

তুমি ছলনা তুমি যাতনা ,
তুমি সেবিকা তুমি উদারীনি ।
তুমি অন্ধকার হতে ,
যুবকদের আলোতে আনো ফিরি ।
তুমি রহস্যময়ী জগত কল্যাণী ।

 গৃহ তোমার হাতেই সাজে, 
 সেই গৃহের  শৃঙ্গার । 
 সে সংসার সৃজন করে।
 তোমার  ছায়ায় সন্তান বেড়ে ওঠে ।
 
 তোমার  বুদ্ধি নীপুনতায় পুরুষ শক্তি পায়, 
 তার শৃঙ্গার পৌরুষ পুষ্টিতায় !
 তোমার ছোয়া আছে কবির কবিতায়।
 কত রূপে তুমি নারী এ দুনিয়ায়।
 জগতের মাঝে কত বিচিত্ররূপে তুমি নারী
তুমি বিচিত্র বিহারীনি।

নারী তুমি কোমল, তুমি শান্ত
কখনো তুমি কালনাগিনী ।
কখনো বা রাজ্যের রানি।
রুপে রুপে বহু রুপি
নারী তোমায় চেনা দায় ।
সজ্ঞানে পুরুশ তুমারই হাতে
বিষ পান করিতে চায় !!!
তুমার সুধা পানে পুরুষের প্রানে
জাগে লালসার বাঁশি ।

অম্বর, ভূধর, সর্বচরাচর তার সাক্ষী
তোমার হাতেই জ্বলে সংসারের প্রদীপ্তশিখাটি।
তাই তোমার নাম স্বর্নঅক্ষরে লিখে রাখি।
তুমি সংসারসৃজনকারী।

কে তোমায় দিয়েছে এতশক্তি
তোমার বুদ্ধিতে পুরুষ হয় আত্মবিশ্বাসী।
তোমার ছায়ায় বড় হয় সন্তান-সন্ততি।
তুমি শক্তিসঞ্চারী।

তোমায় নিয়ে কত গান লিখেছে কবি
তোমার নাম রটেছে কত গীতালি।
তুমিই তার দক্ষ কারিগরী।
তুমি রাগ ও রাগিনী।

যখন তুমি শৃঙ্গার কর বহুমুখী
তোমার চাঞ্চলে রক্তে তরঙ্গ তুলি।
তুমি পুরুষের মনে বিদ্যুত্‍সঞ্চারিনী।
তুমি তেজস্বওষৌসী।

জগতের মাঝে কত বিচিত্ররূপে তুমি নারী
তুমি বিচিত্রবিহারীনি।

শুধু সুন্দর নও কারোর জন্য তুমি সুন্দরী
চাঁদের আলোয় যেমন সূর্যের প্রতিচ্ছবি।
নারীকে সুন্দর করেছে পুরুষের ঐআখি।
তুমি সৌন্দর্যসঞ্চারী।

তোমার ষোলা কলা, সিন্দুরী
পুরুষকে  গড়েছে তার পৌষ্টিকতা আনি।
আসনে, বসনে রেখেছে তাকে ডাকি।
তুমি পৌরুষ পুষ্টিদায়ী।

যখন দেখি তোমার নিত্য দিন যামী
ভোর হতে রাতি সংসারের মায়ার বাঁধনে বাধি।
তোমার প্রেমে সকল প্রাণই প্রেমী।
তুমি সংসার বন্দিনী।

তুমি কখন কারোর অবুঝ স্বপ্নে স্বপ্নন চারিনী
কখনও সৃজনসখী ও তার জীবনসঙ্গিনী।
তুমি রাগ, রাগিনী তোমার সাথে জীবন ছন্দময়ী।
তুমি বহু রূপমুখী।

জগতের মাঝে কত বিচিত্ররূপে তুমি নারী
তুমি বিচিত্রবিহারীনি। 
  
  
  
শেয়ার করুন