মায়ের ত্যাগ
ওমর ফারুক
যে দিন বিয়ের লাল শাড়ি পরে -কবুল বলে ছিলো ,
সেই দিন তার শঁখের আসবারপত্র ,
রেখে আসতে হয়ে ছিলো !
ত্যাগ করতে হয়েছে -
পরিচিত অপরিচিত নানান জনকে ,
ছেড়ে আসতে বাধ্য হয়েছে -
মাতা পিতা থেকে !
অন্যের গৃহে আশ্রয়ের স্থান খুঁজতেছে ,
নিজের চাওয়া পাওয়া বিসর্জন দিয়ে !
যে দিন তার গর্ভে সন্তান এসছে ,
শত শত হাসির ঝলক মুখে ফুঁটেছে !
নিজের কথা বাদ দিয়ে সন্তানের কথা ভাবতেছে ,
জগৎ জুডে এমন ত্যাগি কে বা হতে পারে ,
তাই তো মায়ের স্থান ঈশ্বরের নিচে !
গর্ভের সন্তান নিয়ে করতে হয়েছে নানন কাজ ,
ব্যাথার জ্বালা মনে হতো মরা জিন্দা লাশ !
খাওয়া দাওয়া অরুচি হাত পা শীতল ,
নিঃশ্বাস গুলো ভারী হতো শারীরিক দূর্বল ।
যে দিন আমার আসার সময় হলো -
সেদিন কি যে ব্যাথা !
আকাশ বাতাস সাক্ষী তাঁরা ,
পাড়ার লোকে দিয়ে হারা !
সেদিন তাহার কি চিৎকার চেঁচামিচি !
যম দূত যেন আসলো বাড়ি -
নিবে যমের বাড়ি !
অবশেষে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে ,
আসলাম মায়ের কোলে !
মুখে তাহার উজ্জল হাসি সব বেদনা ভূলে ,
শত সাধনার ধন হীরা মানিক পেয়ে !
রাতে যখন কেঁদে উঠতাম -
সবাই যেত রেগে ,
তবুও মা বিরক্ত হয় নি ,
বুকে নিতো টেনে !
বিছনায় যখন প্রশাব করতাম ,
ময়লা থাকতো লেগে !
আমি থাকতাম বুকের উপর ,
মা থাকতো ভেজা বিছানায় শুয়ে ।
অন্ন অভাব বুঝতে দেয় না ,
নিজে না খেয়ে থাকে !
নিজের অংশ টুকু তুলে দেয় সন্তানের হাতে ।
অসুখ বিসুখে সেবা করে রাত জেগে ভোর ,
নিজের স্বাস্থ্যের যা হওয়ার হোক !
ঈদ পূজায় যত আবদার যতই ধরী ফন্ধী ,
যথা সাধ্য চেষ্টা করে রাখে না কোন কমতি ।
সন্তানের ব্যাথা মায়ের ব্যাথা দুঃখ কষ্ট সব ,
কেমন করে মা জানে বলে দাও না রব !
শত শত দুষ্টামিতে মায়ের শত শাসন ,
শৈশব কালে মনে হতো সব মিথ্যা -
সবিই মন গলানো ভাষণ !
শিশু কিশোর যুবক কাল মায়ের ছাঁয়া বন্ধী ।
তুমি যখন বাবা হও কর কেন ফন্ধী ?
মা তো তোমার পর নয় কোন -
সেই তো তোমার হৃদয় স্পন্দন ,
বৃদ্ধ কালে মা কে -
ছেড়ে আসতে বাধ্য হয়েছে -
মাতা পিতা থেকে !
অন্যের গৃহে আশ্রয়ের স্থান খুঁজতেছে ,
নিজের চাওয়া পাওয়া বিসর্জন দিয়ে !
যে দিন তার গর্ভে সন্তান এসছে ,
শত শত হাসির ঝলক মুখে ফুঁটেছে !
নিজের কথা বাদ দিয়ে সন্তানের কথা ভাবতেছে ,
জগৎ জুডে এমন ত্যাগি কে বা হতে পারে ,
তাই তো মায়ের স্থান ঈশ্বরের নিচে !
গর্ভের সন্তান নিয়ে করতে হয়েছে নানন কাজ ,
ব্যাথার জ্বালা মনে হতো মরা জিন্দা লাশ !
খাওয়া দাওয়া অরুচি হাত পা শীতল ,
নিঃশ্বাস গুলো ভারী হতো শারীরিক দূর্বল ।
যে দিন আমার আসার সময় হলো -
সেদিন কি যে ব্যাথা !
আকাশ বাতাস সাক্ষী তাঁরা ,
পাড়ার লোকে দিয়ে হারা !
সেদিন তাহার কি চিৎকার চেঁচামিচি !
যম দূত যেন আসলো বাড়ি -
নিবে যমের বাড়ি !
অবশেষে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে ,
আসলাম মায়ের কোলে !
মুখে তাহার উজ্জল হাসি সব বেদনা ভূলে ,
শত সাধনার ধন হীরা মানিক পেয়ে !
রাতে যখন কেঁদে উঠতাম -
সবাই যেত রেগে ,
তবুও মা বিরক্ত হয় নি ,
বুকে নিতো টেনে !
বিছনায় যখন প্রশাব করতাম ,
ময়লা থাকতো লেগে !
আমি থাকতাম বুকের উপর ,
মা থাকতো ভেজা বিছানায় শুয়ে ।
অন্ন অভাব বুঝতে দেয় না ,
নিজে না খেয়ে থাকে !
নিজের অংশ টুকু তুলে দেয় সন্তানের হাতে ।
অসুখ বিসুখে সেবা করে রাত জেগে ভোর ,
নিজের স্বাস্থ্যের যা হওয়ার হোক !
ঈদ পূজায় যত আবদার যতই ধরী ফন্ধী ,
যথা সাধ্য চেষ্টা করে রাখে না কোন কমতি ।
সন্তানের ব্যাথা মায়ের ব্যাথা দুঃখ কষ্ট সব ,
কেমন করে মা জানে বলে দাও না রব !
শত শত দুষ্টামিতে মায়ের শত শাসন ,
শৈশব কালে মনে হতো সব মিথ্যা -
সবিই মন গলানো ভাষণ !
শিশু কিশোর যুবক কাল মায়ের ছাঁয়া বন্ধী ।
তুমি যখন বাবা হও কর কেন ফন্ধী ?
মা তো তোমার পর নয় কোন -
সেই তো তোমার হৃদয় স্পন্দন ,
বৃদ্ধ কালে মা কে -
মনে কর কেন বোঝা ?
শৈশব কালে মা কঠোর হলো -
কি হতো তোমার দশা !
পৃথিবীর সবিই মিথ্যা স্বার্থবাজ চল চাতুরী ,
মায়ের মতো নিঃস্বার্থ উদার কাউকে পাবে না ।
যে যার মতো সুবিধা নিবে -
তোমার বিপদে মা ছাড়া -
শৈশব কালে মা কঠোর হলো -
কি হতো তোমার দশা !
পৃথিবীর সবিই মিথ্যা স্বার্থবাজ চল চাতুরী ,
মায়ের মতো নিঃস্বার্থ উদার কাউকে পাবে না ।
যে যার মতো সুবিধা নিবে -
তোমার বিপদে মা ছাড়া -
কেউ পাশে রইবে না ।

0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন