বিনোদন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিনোদন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯
পুরো ভারতের সঙ্গে আসামেও নতুন নাগরিকপঞ্জি: অমিত শাহ
গোটা ভারতেই নাগরিকপঞ্জি হবে জানিয়ে আসামের এখনকার তালিকা বাতিলের ইঙ্গিত দিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
বুধবার রাজ্যসভায় তিনি বলেছেন, গোটা দেশের সঙ্গেই আসামে নতুন করে এনআরসি হবে।
ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সভাপতির এ বক্তব্যে উত্তরপূর্ব রাজ্যটির নাগরিকপঞ্জি কার্যত বাতিল হওয়ার পথে বলে জানিয়েছে আনন্দবাজার, টাইমস অব ইন্ডিয়া।
চলতি বছর প্রকাশিত আসামের চূড়ান্ত নাগরিকপঞ্জিতে দেশটির ১৯ লাখ বাসিন্দা বাদ পড়েছিলেন, যা নিয়ে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়।
বাদ পড়াদের মধ্যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় বিপদে পড়ে রাজ্যের ক্ষমতাসীন বিজেপিও। শুরুর দিকে নাগরিকপঞ্জি নিয়ে তাদের উচ্ছ্বাসই বেশি ছিল। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর তা বাতিলের দাবিতেও তাদের সরব হতে দেখা গেছে।
“আসামে যা হয়েছে, তা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে হয়েছিল। নাগরিকপঞ্জি সারা দেশে হবে, সেসময় আসামেও হবে। কোনো ধর্মের কারোরই উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই,” রাজ্যসভায় বলেছেন অমিত শাহ।
তার এ বক্তব্যের প্রতিধ্বনি মিলেছে আসামের অর্থমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মার কণ্ঠেও।
“রাজ্যে হওয়া নাগরিকপঞ্জি পুরোপুরি বাতিল করে সারা দেশের সঙ্গে আসামেও নতুন করে এনআরসি হোক,” বলেছেন তিনি।
আনন্দবাজার বলছে, রাজ্যসভায় অমিত শাহর বক্তব্যের মাধ্যমে আসামের নাগরিকপঞ্জি নিয়ে ‘ছয় বছরের পরিশ্রম, ১৬০০ কোটি টাকা খরচ, হেনস্থা ও বহু মানুষের মৃত্যুর’ যোগফল কার্যত শূন্যে গিয়ে ঠেকছে।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুক্তি, আসামে ন্যাশনাল রেজিস্ট্রেশন অব সিটিজেনস (এনআরসি) বা নাগরিকপঞ্জি হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে। আসাম চুক্তি অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চকে নাগরিকপঞ্জি তৈরির ভিত্তিবর্ষ ধরা হয়েছিল। ভবিষ্যতে দেশের সব রাজ্যে যখন এনআরসি-র কাজ শুরু হবে তখন অতীতের একটি নির্দিষ্ট দিনকে ধরে তার ভিত্তিতে তালিকা হবে। কোন বছরের কোন তারিখের ভিত্তিতে ওই কাজ শুরু হবে তা এখনও ঠিক হয়নি।
একাধিক ভিত্তিবর্ষ ধরে নাগরিকপঞ্জি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই জানিয়ে আসামের এখনকার নাগরিকপঞ্জি বাতিলেই ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবস্থান, জানিয়েছে আনন্দবাজার।
বিরোধিরা বলছে, বাদ পড়াদের তালিকায় ১৩ থেকে ১৪ লাখ হিন্দু থাকায়, ভোট ব্যাংকে বিরূপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কায় বিজেপি এখন তালিকা বাতিলের পক্ষে হাঁটতে চাচ্ছে।
সরকারের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে নাগরিকপঞ্জি নিয়ে মামলার বাদি আসাম পাবলিক ওয়ার্কস। নাগরিকপঞ্জির সব তথ্য ফের যাচাইয়ের দাবি ছিল তাদের। এ মামলার পরের শুনানি ২৬ নভেম্বর।
“এখন ১৬০০ কোটি টাকা খরচের সম্পূর্ণ অডিটও হোক,” দাবি সংগঠনটির সভাপতি অভিজিৎ শর্মার।
নোট বাতিল, জিএসটির পর আসামের নাগরিকপঞ্জি বাতিল ‘বিজেপির তুঘলকি শাসনের আরও এক নজির’ বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস মুখপাত্র অভিজিৎ মজুমদার।
“১৬০০ কোটি টাকা খরচ হল, কোটি কোটি মানুষ হয়রান হলেন, বহু আত্মঘাতী হলেন। সেই ক্ষতিপূরণ কে দেবে? নাগরিকপঞ্জি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে হয়েছিল, এখন এটি বাতিল করা অবশ্যই সুপ্রিম কোর্টের অবমাননা,” বলছেন তিনি।
সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
স্বামী স্ত্রী এর ঝগড়া
স্বামী স্ত্রী এর ঝগড়া
ওমর ফারুক
স্বামী ঃ কোথায় গেলি ,আবার ও সেই স্টার জলসা জি বাংলা নিয়ে ব্যাস্ত আছোস ।
স্ত্রী ঃ তুমি যে শুধু খেলা নিয়ে পড়ে থাক বাংলা মুভি দেখ আমি কি তখন কিছু বলি ।
স্বামী ঃ ডিস লাইন ভাড়া আমি দিই ,কারেন্ট বিল আমি দিই ।
যুক্তি অনুসারে আমি তো দেখবো ।
স্ত্রী ঃ তাহলে বিয়ে করবো কেন ?
স্বামী ঃ সেটা তো আমার জীবনের সব চেয়ে বড ভূল ।
স্বামী ঃ ভাত দেয় ।
স্ত্রী ঃ ভাত নাই হোটেল থেকে খেয়ে আসো ।
স্বামী ঃ হোটেল থেকে খেয়ে আসবো মানি ।
স্ত্রী ঃ কাজের মেয়ে আসে নাই ।
স্বামী ঃ তুমি খেয়েছো কি , চুপ হয়ে হয়ে থাকলে কেন ?
আমার কষ্টের ধন সম্পদ ভোগ করবে তুমি,
আর ঘরের সব কাম কাজ করবে, কাজের মেয়ে ,
বিয়ে কি আমি তোমাকে করেছি না কাজের মেয়েকে করেছি ।
যে রোজ রোজ কাজের মেয়ের হাতের রান্না আমাকে খেতে হবে ।
হিন্দী সিরিয়াল দেখতে দেখতে তুমি এতোটাই অলস হয়ে গেছো,
তোমার থেকে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়ে ও ভাল আছে ।
স্ত্রী ঃ কি আমি অলস আমি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ,আমার থেকে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী
মেয়ে ও ভাল আছে ,বেশ তো ঐ রকম বুদ্ধি ওয়ালা বিবাহ করলে তো
পারতে ,কালকে আমি বাপের বাডি চলে যাবো ।
স্বামী ঃ বেশ তো যাওনা,তোমাকে কেউ ধরে রেখেছে ।
স্ত্রী ঃ ও এখন বুঝেছি তুমি আমার সাথে এই রকম ব্যবহার কেন কর ?
আমি চলে গেলে তোমার খুব সুবিধা হয় ,
মেয়েদের সাথে পুষ্টি নষ্টি করতে পারবে ।
আমি মেয়ে তোমার সংসারে ঠিকে আছি অন্য কেউ হলে ,
অনেক আগে লাথি মেরে চলে যেতো ।
স্বামী ঃ আমি কখনো বলেছি তুমি আমার সংসারে ঠিকে থাক ।
আমি খালি মেয়েদের সাথে ট্যাংকি মারি ,বিয়ের আগে কত
ছেলেদের কাছ থেকে ধোঁকা খেয়েছো, এর হিসাব আমার কাছে আছে,
তোমার মোবাইলে কয়টা ছেলের কল আসে ,
মনে করছো আমি কিছু জানি না ।
আমার সামনে সাধু সাজো ।
স্ত্রী ঃ কি আমি ছেলেদের সাথে ট্যাংকি মারি ,তোমার কপাল ভালো
অন্য কোন মেয়ে হলে অনেক আগে লাথি মেরে চলে যেত ।
তোমার সংসারে এসে একটু ও শান্তি পাই নাই ,
পোড়া কপাল আমার ।
স্বামী ঃ কি নিমক হারামী তুমি তোমার বাবার মাথায় ,
হাত রেখে বলতে পারবে আমার সাথে বিবাহ হওয়ার
পর থেকে এক দিনের জন্য ও তুমি শান্তি পাও নাই ।
স্ত্রী ঃ তোমরা আমাদের কাছে নত, আমাদের ছাড়া তোমাদের জীবন অচল ।
স্বামী ঃ ভূল বলেছো, আমরা বরং তোমরা মেয়েরা আমাদের ছাড়া তোমাদের
জীবন অচল ।তোমরা আমাদের কি দিয়েছো ,ছলনা, স্বার্থপরতা,হিংসা,লোভ,আর অহংকার
বেহেশতে জ্বালিয়েছো, দুনিয়াতে এস আমাদের জ্বালাছো ,
তোমাদের ছাড়া জঙ্গলে বাস করা ও মঙ্গল ।
তোমাদের কারনে বাপ ছেলের সর্ম্পক নষ্ট হয় ।
আত্মীয়তা ছিন্ন হয় ,তোমরা আমাদের ছলনা ছাডা কিছুই দিতে পার না ।
তোমরা আমাদের দাসি ছিলে, ভাল বেসে রাজ রাণী বানিয়েছি ।
ইতিহাস পডে দেখ আমরা তোমাদের জন্য কি কি করেছি,
আর তোমরা আমাদের জন্য কি কি করেছো ।
স্ত্রী ঃ তোমরা যদি আমাদের জন্য এতো কিছু করে থাক,
তাহলে প্রেম করো এক জনের সাথে ,বিবাহ কর আরেক জনকে ।
স্বামী ঃ আমাদের ছেলেদের কোন দোষ নাই, তোমরা
মেয়েরা প্রেম কর সালমান খানের সাথে, আর বিবাহ করো পয়সা ওয়ালা কালা চান কে ।
স্ত্রী ঃ তোমরা প্রেম করার সময় মনে থাকে না যে তোমরা বেকার,
স্বামী ঃ তোমরা যদি ভাল মেয়ে হয়ে থাক তোমাদের মনে
যদি সত্যি উদার হয়ে থাকে,তাহলে নিজের পায়ে
দাড়িয়ে গাড়ি কিনে ,বাড়ি করে একটা বেকার ছেলেকে বিবাহ করে দেখাও ।
ইংরেজী বাবু
ইংরেজী বাবু
ওমর ফারুক
ইংরেবী ঃ হ্যালো কাম ইয়ার ।
বাঙ্গালী ঃ স্যার আপনি আমাকে কি
কাম দিবেন ?
ইংরেজী ঃ হাউ আর ইউ ?
বাঙ্গালী ঃ স্যার হাওয়ার কথা জিজ্ঞাস করতেছেন ,এক সময় এই গ্রামে
প্রচুর গাছ পালা ছিলো ,কিন্তু গাছ পালা গুলো কেটে ফেলার কারনে,
এখন কোন সময় শীতকাল চলে যায় একটু টের ও পাই না ।
ইংরেজীর ঃ নাইচ ইউর ভিলেজ ।
বাঙ্গালী ঃ স্যার এখন বিল কোথায় পাবেন ,
মানুষ খাল বিল ভরাট করে বাড়ি ঘর করে ফেলেছে ।
ইংরেজী ঃ ঝোক ইউ ।
বাঙ্গালী ঃ হ্যা স্যার বৃষ্টি পড়েছে তো ঘাসে ঝোক থাকতে পারে ।
ইংরেজী ঃ ওকে ।
বাঙ্গালী ঃ ও আমার ছোট বোন ।
ইংরেজী ঃ ইউ আর হ্যাপি ।
বাঙ্গালী ঃ না স্যার ওর নাম খুশি ।
ইংরেজী ঃ উইত মি ।
বাঙ্গালী ঃ কি বেয়াদব কোথাগার তোর সাথে ভাল ব্যবহার করলাম ,
আর তুই আমাকে উততে বলেছোস ।
রবিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৮
ছেদা তো ছোট
রফিক সাহেব তার ছেলের জন্য পাত্রী দেখতে যাচ্ছে,তারা পরিচিত এক জনের বাডীতে গেল,
পাত্রীর বাডীর লোক জন তাদের কে খুব আপায়ন করলেন ।
1.রফিক সাহেব ঃ কই আপনার পাত্রীকে নিয়ে আসেন একটু দেখে যাই ।
2.আসমা বানু :- এই যে দেখেন আমার মেয়ে ,আমি নিজে হাতে ওকে সব কাজ শিখিয়েছি ।
রফিক সাহেব : মাশা আল্লাহ , আমার বৌমা খুব লক্ষী মেয়ে আর দেখতে ভীষণ মিষ্টি ।
নাম কি তোমার বিবি ফাতেমা ,
রফিক সাহেব: তুমি লেখাপডা কত টুকু করেছো
বিবি ফাতেমা : অনাস
রফিক সাহেব ঃ মেয়ে আমার পছন্দ হয়েছে , কিন্তু একটা সমস্যা
আসমা বানু :কি সমস্যা
রফিক সাহেব: ছেঁদা তো ছোট
আসমা বানু :কি বললেন আপনি ছি ছি আপনার ছেলের কাছে কাছে আমার মেয়ে কে বিবাহ দিবো না ।
রফিক সাহেব:আরে বেয়াইন আমি কি বলেছি আপনি বুঝতে পারেন নাই ।
আসমা বানু :কি বলেছেন ।
রফিক সাহেব : আমি বলেছি ছেদা ছোট মানি ,আমার ছেলে আপনার মেয়ে থেকে লম্বা ছোট
আসমা বানু : ও তাই নাকি আমি তো বুঝতে পারি নাই আমাকে মাফ করেন ।

ধাঁধা
- প্রশ্ন . জন্ম তার সাগরে থাকে সবার ঘরে ঘরে মা ,ছুইলে ছেলে মরে ?
- উঃ লবণ
- দুই রান ছেরিয়া মাঝ খানে ঢুাকাইয়া কুচি কুচি করে ।
- উঃ ছোরোতা
- কোন পানিতে মাছ নাই ?
- উঃ চোখের পানি
- কোন দেশে পানি নাই ?
- উঃসন্দেশ
- এক হাত গাছ দের হাত পাতা ?
- উঃ আনারস
- গাছের উপর গাছ দুধ খেলে সর্বোনাশ ।
- উঃআনারস
- দিলে খায় না, না দিলে খায় ?
- উঃমশারি
- আল্লাহর কুদরত ,লাঠি ভরা সরবত ।
- উঃকুইসার
- ঘরের ভিতর ঘর তার ভিতর পানি ?
- উঃনারকেল
- দুই অক্ষরে নাম যার কৃষি ক্ষেতে পারে,প্রথম অক্ষর বাদ দিলে মানুষে খায়
- শেষের অক্ষর বাদ দিলে গর্ভবতী হয় ।
- উঃ মাচা
- দেখতে সাদা ধরতে নরম খাইতে শরম
- উঃ সিগারেট
- আট পায়ে হাটে চার পায়ে বাগ নয় সিংহ আস্ত মানুষ গিলে ।
- উঃ লাশের খাট
- পানিতে ঘর আমি গেলাম চাইতে ,অমারে দে না আসতে
- উঃমাছ ধরার ছাই
শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৮
জন্মদিনে কেক কেন কাটি, মোমবাতি কেন নেভাই
কেক চাই, কেক। কিন্তু মুখ ফুটে কি বলা যায়? তবু মনটা আঁকুপাঁকু করে কখন সবাই আমাকে কেকের সামনে দাঁড় করাবে? এরপর সুর করে বলতে থাকবে হ্যাপি বার্থডে টু ইউ। আর আমি এক ফুঁতে সব মোমবাতি নিভিয়ে এক কোপে আস্ত কেকটা কাটব। জন্মদিনের দিন যদি একটা আস্ত কেক কাটা না যায়, তবে অন্যদিনের চেয়ে এই দিনটা আলাদা হলো কী করে? তাই লম্বা হোক বা খাটো হোক, গোলগাল হোক বা চ্যাপ্টা হোক জন্মদিনে কেক চাই-ই চাই। ভ্যানিলা কেক, চকোলেট কেক, চিজ কেক, ব্ল্যাক ফরেস্ট কেক। উফফ! কেকের কথা মনে হতেই জিবে পানি চলে আসে। তাই জন্মদিনের দাওয়াত খেতেও মজা।
বহু বহু আগে থেকেই কিন্তু জন্মদিন পালন হতো। রাজা-বাদশাহদের যুগে তাদের জন্মদিন খুব জাঁকজমক করে পালন করা হতো। কারণ, তখন এমনটা ভাবা হতো যে বড় বড় মানুষদের পিছে সব সময় দুষ্ট আত্মা বা অশুভ শক্তি ঘুরঘুর করে। নতুন বছরে রাজা-মহারাজার যেন কোনো ক্ষতি না হয়, তাই শয়তান তাড়াতেই জন্মদিন করা হতো। তবে অনেক বছর আগে থেকেই কেকের প্রচলন রয়েছে।
প্রাচীনকালে গ্রিকরা প্রায় চাঁদের মতো গোল আকৃতি দিয়ে কেক বানাত। সেই কেকটা বানানো হতো চাঁদের দেবী আর্তেমিসের জন্য। মধ্যযুগে জার্মানরা যিশুর জন্মদিন উদ্যাপনের জন্য ময়দা দিয়ে এমনভাবে কেক তৈরি করত যে দেখে মনে হতো শিশু যিশুকে কাপড় দিয়ে জড়িয়ে রাখা হয়েছে। ধীরে ধীরে একসময় ছোট শিশুদের জন্মদিন পালন করা শুরু হয়। এটাকে বলা হতো কিন্ডারফেস্ট। কিন্ডার মানে শিশু আর ফেস্ট মানে উৎসব। তারা মনে করত, এর মাধ্যমে তাদের সন্তানদের পবিত্র আত্মাকে দুষ্ট আত্মা থেকে রক্ষা করা যাবে। আবার, প্রাচীন রোমানরা তিন ধরনের জন্মদিন পালন করত।
ব্যক্তিগত জন্মদিন যেটা তাদের বন্ধু ও আত্মীয়দের নিয়ে উদ্যাপন করত, শহরের এবং দেবতাদের জন্মদিন, আর অন্যটা হলো অতীত ও বর্তমানের সম্রাট এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্মদিন। তবে বহু বহু বছর আগে সব দেশেই যে কেক কেটে জন্মদিন পালন করত তা নয়। যেমন রাশিয়ায় জন্মদিনে ফলের তৈরি পাই (এক ধরনের পিঠা) দেওয়া হতো সবাইকে। কোরিয়ায় খাওয়ানো হতো স্যুপ। তবে এখন প্রায় সব দেশেই জন্মদিনে কেক কাটার রীতি বেশি প্রচলিত।
এ তো গেল কেকের কথা। তবে কেকের ওপর কেনই বা মোমবাতি বসাতে হবে, আর কেন এত ফুঁ-টু দিয়ে গান গেয়ে কেক কাটতে হবে? এমন প্রশ্ন মনে জাগতেই পারে।
প্রাচীন গ্রিকদের চাঁদের দেবীর কথা তো শুনলে। সেই আর্তেমিসের জন্মদিন উপলক্ষে তার জন্য তৈরি করা কেকটা যেন চাঁদের মতো জ্বলজ্বল করে, সে জন্য কেকের গায়ে অনেকগুলো জ্বলন্ত মোমবাতি বসিয়ে দেওয়া হতো। গ্রিকরা মনে করত, ওপর থেকে আর্তেমিস তাদের কেকটাকে দেখতে পাচ্ছেন। এরপর সবাই মিলে প্রার্থনা করে ফুঁ দিয়ে মোমবাতি নিভিয়ে দিত। আর ভাবত যে সেই মোমবাতির ধোঁয়া তাদের প্রার্থনা নিয়ে দেবতার কাছে চলে যাচ্ছে। জার্মানরাও মোমবাতি ব্যবহার করত কেকের ওপর। ছোট ছোট মোমবাতি দিয়ে কেকের চারপাশটা সাজিয়ে দিত আর মাঝখানে থাকত একটা বড় মোমবাতি। এই বড় মোমবাতিতে ১২টা দাগ টানা ছিল। এ দিয়ে বছরের ১২ মাস বোঝানো হতো। এটাকে তারা বলত লাইট অব লাইফ। কেক দেখতে যেমনই হোক, কেকের ওপর মোমবাতি না থাকলে যেন কেকের সৌন্দর্য পূর্ণতা পায় না।
ধীরে ধীরে প্রচলন হতে থাকে যে যার জন্মদিন কেকের ওপর তার বয়সের সমানসংখ্যক মোমবাতির চেয়ে একটা বেশি থাকতে হবে। নতুন একটা বছরের জন্য অতিরিক্ত একটা মোমবাতি। অর্থাৎ, দুই বছর বয়স পুরো হয়ে কেউ এখন তিনে পা দিচ্ছে, তখন কেকের ওপর তিনটা মোমবাতি। কিন্তু বয়স্কদের জন্য কম মোমবাতি ব্যবহার করা হয়। যেমন যার বয়স ৫০ বছর হতে চলেছে, তার জন্য পাঁচটা মোমবাতি। যার জন্মদিন সে মনে মনে একটা উইশ করে মোমবাতি নেভাবে। বলা হয়ে থাকে যে এক ফুঁতে সমস্ত মোমবাতি নেভাতে পারলে তোমার চাওয়া পূর্ণ হবে। তবে তুমি কী চাইছ, সেটা কাউকে বলা যাবে না, তাহলে কিন্তু সেটা পূরণ হবে না।
আচ্ছা এখন বলো তো, সুর করে এই যে হ্যাপি বার্থডে টু ইউ গাও, এটা কে লিখেছে? চিন্তায় পড়ে গেলে? আসলে মূল গানটা ছিল গুড মর্নিং টু ইউ।
গানটা তৈরি করেছিল দুই আমেরিকান বোন প্যাটি হিল ও মিলড্রেড হিল। পরবর্তী সময়ে সুর ঠিক রেখেই গানের কথাটা পরিবর্তন করে হয়ে গেল হ্যাপি বার্থডে টু ইউ। আর এর পর থেকেই কেকের ওপর হ্যাপি বার্থডে লেখাটা বেশ জনপ্রিয় হতে লাগল। আর জন্মদিনে হইহুল্লোড় করা অবশ্যই ভালো।
কারণ মনে করা হতো, জন্মদিনের দিন দুষ্ট আত্মা যার জন্মদিন, তার সঙ্গে দেখা করতে আসে।
তাই যত হইচই করা যাবে দুষ্ট আত্মা ভয় পেয়ে তত দূরে ভেগে যাবে।
বছরের একটা দিন বলে কথা, তাই জন্মদিনটা কেক, মোমবাতি আর বন্ধুদের সঙ্গে হইচই করেই কাটুক!
শনিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৮
জন্মদিনে গোয়া গিয়েছিলে ঐশ্বরিয়া
বড় তারকা হলেও জন্মদিনটা সাধারণভাবে উদযাপন করতেই পছন্দ এশ্বরিয়ার। গত ১ নভেম্বর নিজের ৪৫তম জন্মদিন পালন করতে স্বামি সন্তানকে নিয়ে তিনি ছুটে গিয়েছিলেন ভারতের পর্যটন শহর গোয়ায়। পরিবারের বাইরের খুব কাছের কয়েকজন বন্ধু অ্যাশের সঙৃ্গী হয়েছিল। জন্মদিন উদযাপনের কিছু ছবি তিনি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন।
ছবিতে দেখা যায়, পর্যটন নগরীর একটি সুমিংপুলে স্বামি অভিষেক বচ্চন আর মেয়ে আরাধ্য বচ্চনকে নিয়ে বেশ আনন্দঘন ভাবে সময় পার করছেন অ্যাশ।
এই তারকা দম্পতির পারিবারিক বন্ধুদের সাথে ঐশ্বরিয়ার মা ভ্রিনদ্র রায় ও তাদের সাথে ছিলেন। এই জন্মদিনের মাধ্যমে অনেক দিন পর অভিশেষ বচ্চন আর অ্যাশকে এক সাথে ক্যামেরায় বন্ধী করলো আলোকচিত্রীরা
বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। ২ নভেম্বর তার জন্মদিন। এবছর এসআরকে ৫৩তম জন্মদিন পালন করলেন। শাহরুখ খান তাঁর মুম্বাইয়ের বাড়িতে জন্মদিন উদযাপন করেন। এসময় তিনি তার স্ত্রী গৌরী খানকে কেক খাইয়ে দেন। প্রতিবারের মতো এবারেও মান্নাতের ছাদে হাজির হন নিজের অগণিত ভক্তদের জন্য যারা পছন্দের অভিনেতাকে এক ঝলক দেখতে হাজির হয়েছিলেন।
শাহরুখের সঙ্গে গতকাল রাতেই ছিলেন করণ জোহর। শাহরুখ আর গৌরীর পুরো ছবি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন শুভ জন্মদিন, ভাই, তোমাকে আর গৌরীকে ২৫ বছর ধরে চিনি এবং এটা চিরকাল আমার জীবনের সবথেকে বিশেষ সম্পর্ক হয়ে থেকে যাবে। আমার পরিবারের সদস্য হওয়ার জন্য ধন্যবাদ, আমার সিনেমার হিরোর সকল স্মৃতির জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। জিরো তোমার সবচেয়ে বড় ব্লকবাস্টার হোক।
এছাড়া শাহরুখ খানের জন্মদিন উপক্ষে তার সর্বশেষ ছবি জিরো’র ট্রেলার প্রকাশ করা হয়েছে। এই বিশেষ দিনটির জন্য জিরো টিমের পক্ষ থেকে সিনেমার দুটি নতুন পোস্টার প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে ছবির প্রধান দুই অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ এবং অনুষ্কা শর্মাকে দেখা যাচ্ছে।
আরো পড়ুন : শাহরুখ খান সম্পর্কে ২০টি অজানা তথ্য জেনে নিন
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা শাহরুখ খান সম্পর্ক জানতে তার ভক্তদের আগ্রহের শেষ নেই। শাহরুখ খানের ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক তথ্য জানার জন্য গভীর আগ্রহ থাকে দর্শকদের। ভক্তদের কৌতূহল মেটাতে শাহরুখ খান নিজেও বিভিন্ন সময় ভক্তদের কৌতূহল মেটাতে নানা তথ্য তুলে ধরেছেন।
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা শাহরুখ খান সম্পর্ক জানতে তার ভক্তদের আগ্রহের শেষ নেই। শাহরুখ খানের ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক তথ্য জানার জন্য গভীর আগ্রহ থাকে দর্শকদের। ভক্তদের কৌতূহল মেটাতে শাহরুখ খান নিজেও বিভিন্ন সময় ভক্তদের কৌতূহল মেটাতে নানা তথ্য তুলে ধরেছেন।
চলুন জেনে নেই শাহরুখ খান সম্পর্কে ২০টি তথ্য।
১. তাজ মুহাম্মদ খান আর লতিফ ফাতিমার পরিবারে ১৯৬৫ সালের ২ নভেম্বর জন্ম হয় শাহরুখের। পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি নানীর সঙ্গে প্রথমে ম্যাঙ্গালোর আর তারপরে ব্যাঙ্গালোরে থাকতেন। নানী তার দেখাশোনা করতেন। শাহরুখের নানা ম্যাঙ্গালোর বন্দরের মুখ্য প্রকৌশলী ছিলেন।
২. শাহরুখের বাবা পাকিস্তানের পেশোয়ারের মানুষ, মা ভারতের হায়দ্রাবাদের আর দাদি কাশ্মীরের।
৩. বাড়িতে শাহরুখের বাবা 'হিন্দকো' ভাষায় কথা বলতেন। এই ভাষা পাকিস্তানে ব্যবহৃত পাঞ্জাবী কথ্য ভাষা।
৪. পাকিস্তানের পেশোয়ারের সঙ্গে শাহরুখের যোগাযোগ নিয়মিত ছিল। ১৯৭৮-৭৯ সালে তিনি গিয়েছিলেন বাবার ফেলে আসা শহরে। সে প্রথমবার শাহরুখ বাবার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। ভারতে শুধু তাঁর মায়ের দিকের আত্মীয় স্বজন ছিলেন, বাবার গোটা পরিবারই পেশোয়ারে থাকতেন।
৫. একটু বড় হওয়ার পরে শাহরুখের পরিবার দিল্লিতে চলে আসেন। সেন্ট কলাম্বাস স্কুলে পড়াশোনা করেছেন তিনি। খেলাধুলোয় খুব আগ্রহী ছিলেন শাহরুখ।
৬. স্কুলে পড়ার সময়ে শাহরুখ হিন্দিতে খুব একটা দক্ষ ছিলেন না। তবে একবার হিন্দি পরীক্ষায় দশে দশ পেয়েছিলেন তিনি, পুরষ্কার হিসাবে তার মা সিনেমা দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলেন।
৭. দিল্লির হংসরাজ কলেজ থেকে অর্থনীতিতে বি এ পাশ করেন আর জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়াতে মাস কমিউনিকেশন নিয়ে এম এ পড়তে ভর্তি হন। তবে সেটা আর শেষ করা হয় নি তাঁর।
৮. শাহরুখ খানের স্ত্রী গৌরীর বাবা একজন সেনা কর্মকর্তা ছিলেন। স্কুলে পড়ার সময় গৌরীর সাথে প্রথম চেনা পরিচিতি হয় শাহরুখের। একটা পার্টিতে দুজনের মধ্যে বেশ অনেকক্ষণ গল্প চলে। তখন থেকেই শুরু হয় শাহরুখ-গৌরীর প্রেম পর্ব।
৯. সেই তারিখটাও মনে আছে শাহরুখের - দিনটা ছিল ১৯৮৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের নয় তারিখে। সেই দিনই শাহরুখ ড্রাইভিং লাইসেন্সও পেয়েছিলেন।
১০. গৌরী আর শাহরুখের বিয়ে হয় ১৯৯১ সালের ২৫ অক্টোবর।
১১. শাহরুখের যখন ১৫ বছর বয়স, তখনই তার বাবা মারা যান ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে। পেশায় উকিলও ছিলেন আবার স্বাধীনতা সংগ্রামেও অংশ নিয়েছিলেন শাহরুখের বাবা তাজ মুহম্মদ খান। অল্প বয়সে একবার জেলও খেটেছেন, পরে মৌলানা আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ভোটেও দাঁড়িয়েছিলেন তাজ মুহম্মদ খান।
১২. শাহরুখ খানের প্রথম রোজগার ছিল ৫০ টাকা। গায়ক পঙ্কজ উদাসের একটা কন্সার্টে কাজ করে সেই টাকা পেয়েছিলেন। প্রথম রোজগারের টাকা দিয়ে ট্রেনের টিকিট কেটে শাহরুখ আগ্রা গিয়েছিলেন ।
১৩. তবে শাহরুখের প্রথম টেলি-সিরিয়াল শুরু হয় ১৯৮৯ সালে। কর্নেল কাপুরের পরিচালনায় 'ফৌজি' নামের সেই ধারাবাহিক খুবই জনপ্রিয় হয়েছিল। সেখানেই প্রথমবার ভারতের দর্শক দেখলেন পরের কয়েক বছরে স্টার থেকে সুপার স্টার হয়ে ওঠা শাহরুখ খানকে।
১৪. ছোট থেকেই শাহরুখ খানের ইচ্ছা ছিল সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার। কলকাতার 'আর্মি স্কুল'-এ ভর্তিও হয়েছিলেন শাহরুখ, কিন্তু ছেলেকে ছাড়তে রাজি হন নি তাঁর মা ।
১৫. ১৯৮৯-৯০ সালে রেণুকা সাহানের সঙ্গে 'সার্কাস' সিরিয়ালে কাজ করতে শুরু করেন শাহরুখ। সেই সময়ে তার মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। মাকে ধারাবাহিকটার একটা পর্ব দেখানোর জন্য বিশেষ অনুমিত নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁর মা তখন এতটাই অসুস্থ, যে ছেলেকে চিনতেও পারেন নি। ১৯৯১ সালের এপ্রিল মাসে মৃত্যু হয় শাহরুখ খানের মায়ের।
১৬. মায়ের মৃত্যুর শোক থেকে দূরে সরে যেতে এক বছরের জন্য শাহরুখ দিল্লি থেকে মুম্বাই গিয়েছিলেন। কিন্তু তার ফেরা আর হয়নি আর।
১৭. সে বছরই প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন শাহরুখ খান। সেটি ছিল হেমা মালিনী অভিনীত 'দিল আসনা হ্যায়'। নায়ক হিসাবে শাহরুখকে প্রথম দেখা গেল পরে বছর ২৫ জুন ১৯৯২তে 'দিওয়ানা'য়।
১৮. কঠোর পরিশ্রম করতে পারেন শাহরুখ। মাত্র চার পাঁচ ঘণ্টা ঘুমান তিনি। তাঁর প্রিয় উক্তি হলো, 'ঘুমানো মানে জীবন নষ্ট করা'।
১৯. স্ত্রী সন্তান ছাড়া শাহরুখের সঙ্গে তার বাড়িতে থাকেন বড় বোন লালারুখ।
২০. শাহরুখ খানের টুইটার একাউন্টে প্রায় তিন কোটি ফলোয়ার রয়েছে।
আপনি হয়তো জানেন, আজ শাহরুখ খানের জন্মদিন।