![]() |
স্বামী স্ত্রীর অধিার ঃ
রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে।
তারা তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ।
আল্লাহ অবগত রয়েছেন যে, তোমরা আত্নপ্রতারণা করছিলে,
সুতরাং তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করেছেন এবং তোমাদের অব্যাহতি দিয়েছেন।
অতঃপর তোমরা নিজেদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস কর এবং
যা কিছু তোমাদের জন্য আল্লাহ দান করেছেন, তা আহরন কর।
আর পানাহার কর যতক্ষণ না কাল রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়।
অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত। আর যতক্ষণ তোমরা এতেকাফ অবস্থায় মসজিদে অবস্থান কর,
ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সাথে মিশো না। এই হলো আল্লাহ কর্তৃক বেঁধে দেয়া সীমানা।
অতএব, এর কাছেও যেও না। এমনিভাবে বর্ণনা করেন আল্লাহ নিজের আয়াত সমূহ মানুষের জন্য, যাতে তারা বাঁচতে পারে।
আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ 187
তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্য ক্ষেত্র।
তোমরা যেভাবে ইচ্ছা তাদেরকে ব্যবহার কর।
আর নিজেদের জন্য আগামী দিনের ব্যবস্থা কর এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক।
আর নিশ্চিতভাবে জেনে রাখ যে, আল্লাহর সাথে তোমাদেরকে সাক্ষাত করতেই হবে।
আর যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে সুসংবাদ জানিয়ে দাও।
আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ223
আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে।
তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর।
আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 4
হে ঈমাণদারগণ! বলপূর্বক নারীদেরকে উত্তরাধিকারে গ্রহন করা তোমাদের জন্যে হালাল নয়
এবং তাদেরকে আটক রেখো না যাতে তোমরা তাদেরকে যা প্রদান করেছ তার কিয়দংশ নিয়ে নাও;
কিন্তু তারা যদি কোন প্রকাশ্য অশ্লীলতা করে! নারীদের সাথে সদ্ভাবে জীবন-যাপন কর।
অতঃপর যদি তাদেরকে অপছন্দ কর, তবে হয়ত তোমরা এ
মন এক জিনিসকে অপছন্দ করছ, যাতে আল্লাহ, অনেক কল্যাণ রেখেছেন।
আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ19
পুরুষেরা নারীদের উপর কৃর্তত্বশীল এ জন্য যে, আল্লাহ একের উপর অন্যের বৈশিষ্ট্য দান করেছেন
এবং এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেককার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা
এবং আল্লাহ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোক চক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে।
আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা কর তাদের সদুপদেশ দাও, তাদের শয্যা ত্যাগ কর
এবং প্রহার কর। যদি তাতে তারা বাধ্য হয়ে যায়, তবে আর তাদের
জন্য অন্য কোন পথ অনুসন্ধান করো না। নিশ্চয় আল্লাহ সবার উপর শ্রেষ্ঠ।
আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ34;35
যদি কোন নারী স্বীয় স্বামীর পক্ষ থেকে অসদাচরণ কিংবা উপেক্ষার আশংকা করে,
তবে পরস্পর কোন মীমাংসা করে নিলে তাদের উভয়ের কোন গোনাহ নাই।
মীমাংসা উত্তম। মনের সামনে লোভ বিদ্যমান আছে।
যদি তোমরা উত্তম কাজ কর এবং খোদাভীরু হও,
তবে, আল্লাহ তোমাদের সব কাজের খবর রাখেন।
আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ128
যদি উভয়েই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবে আল্লাহ স্বীয় প্রশস্ততা দ্বারা
প্রত্যেককে অমুখাপেক্ষী করে দিবেন। আল্লাহ সুপ্রশস্ত, প্রজ্ঞাময়।
আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ130
তোমরা তোমাদের সামর্থø অনুযায়ী যেরূপ গৃহে বাস কর, তাদেরকেও বসবাসের জন্যে সেরূপ গৃহ দাও।
তাদেরকে কষ্ট দিয়ে সংকটাপন্ন করো না। যদি তারা গর্ভবতী হয়, তবে সন্তানপ্রসব পর্যন্ত তাদের ব্যয়ভার বহন করবে।
যদি তারা তোমাদের সন্তানদেরকে স্তন্যদান করে, তবে তাদেরকে প্রাপ্য পারিশ্রমিক দেবে
এবং এ সম্পর্কে পরস্পর সংযতভাবে পরামর্শ করবে।
তোমরা যদি পরস্পর জেদ কর, তবে অন্য নারী স্তন্যদান করবে।
বিত্তশালী ব্যক্তি তার বিত্ত অনুযায়ী ব্যয় করবে।
যে ব্যক্তি সীমিত পরিমাণে রিযিকপ্রাপ্ত, সে আল্লাহ যা দিয়েছেন, তা থেকে ব্যয় করবে।
আল্লাহ যাকে যা দিয়েছেন, তদপেক্ষা বেশী ব্যয়
করার আদেশ কাউকে করেন না।আল্লাহ কষ্টের পর সুখ দেবেন।
আল কোরআন সুরা তালাক আয়াত ঃ 6,7

0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন