প্রেম বিজ্ঞান.....
আর যদি তোমরা আকার ইঙ্গিতে সে নারীর বিয়ের পয়গাম দাও,
কিংবা নিজেদের মনে গোপন রাখ, তবে তাতেও তোমাদের কোন পাপ নেই,
আল্লাহ জানেন যে, তোমরা অবশ্যই সে নারীদের কথা উল্লেখ করবে।
কিন্তু তাদের সাথে বিয়ে করার গোপন প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখো না।
অবশ্য শরীয়তের নির্ধারিত প্রথা অনুযায়ী কোন কথা সাব্যস্ত করে নেবে।
আর নির্ধারিত ইদ্দত সমাপ্তি পর্যায়ে না যাওয়া
অবধি বিয়ে করার কোন ইচ্ছা করো না। আর একথা জেনে রেখো যে,
তোমাদের মনে যে কথা রয়েছে, আল্লাহর তা জানা আছে।
কাজেই তাঁকে ভয় করতে থাক।
আর জেনে রেখো যে, আল্লাহ ক্ষমাকারী ও ধৈর্য্যশীল।
আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ235
আর যদি মোহর সাব্যস্ত করার পর স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও,
তাহলে যে, মোহর সাব্যস্ত করা হয়েছে তার অর্ধেক দিয়ে দিতে হবে।
অবশ্য যদি নারীরা ক্ষমা করে দেয় কিংবা বিয়ের বন্ধন
যার অধিকারে সে (অর্থাৎ, স্বামী) যদি ক্ষমা করে দেয় তবে তা স্বতন্ত্র কথা।
আর তোমরা পুরুষরা যদি ক্ষমা কর, তবে তা হবে পরহেযগারীর নিকটবর্তী।
আর পারস্পরিক সহানুভূতির কথা বিস্মৃত হয়ো না।
নিশ্চয় তোমরা যা কিছু কর আল্লাহ
সেসবই অত্যন্ত ভাল করে দেখেন।
আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ237
বলুন আমার নামায আমার কোরবানী আমার জীবন
আমার মরণ সারা জাহানের রব আল্লাহর জন্য ।
আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ162
আর সে যে মহিলার ঘরে ছিল, ঐ মহিলা তাকে ফুসলাতে লাগল
এবং দরজাসমূহ বন্ধ করে দিল। সে মহিলা বললঃ শুন! তোমাকে বলছি,
এদিকে আস, সে বললঃ আল্লাহ রক্ষা করুন; তোমার স্বামী আমার মালিক।
তিনি আমাকে সযত্নে থাকতে দিয়েছেন।
নিশ্চয় সীমা লংঘনকারীগণ সফল হয় না।
আল কোরআন সুরা ইউসুফ আয়াত ঃ23
নিশ্চয় মহিলা তার বিষয়ে চিন্তা করেছিল এবং সেও মহিলার বিষয়ে চিন্তা করত।
যদি না সে স্বীয় পালনকর্তার মহিমা অবলোকন করত।
এমনিবাবে হয়েছে, যাতে আমি তার কাছ থেকে মন্দ বিষয় ও নিলজ্জ বিষয় সরিয়ে দেই।
নিশ্চয় সে আমার মনোনীত বান্দাদের একজন।
আল কোরআন সুরা ইউসুফ আয়াত ঃ24
আমি নিজেকে নির্দোষ বলি না।
নিশ্চয় মানুষের মন মন্দ কর্মপ্রবণ
কিন্তু সে নয়-আমার পালনকর্তা যার প্রতি অনুগ্রহ করেন।
নিশ্চয় আমার পালনকর্তা ক্ষমাশীল, দয়ালু।
আল কোরআন সুরা ইউসুফ আয়াত ঃ53
নিশ্চয়ই আল্লাহ সেই সব লোকদের ভাল বাসেন
যারা আল্লাহর পথে সারি বদ্ধ ভাবে যুদ্ধ করে
সুদৃঢ় সীসাঢালা প্রাচীরের ন্যায় ।
আল কোরআন সুরা সফ আয়াত ঃ 4
আর তার আরেকটি নিদর্শন হচ্ছে তোমাদের মধ্যে
হতে সংগীনি সৃষ্টি করেছেন যেন তোমরা তাদের কাছে
শান্তি পেতে পার এবং পারস্পারিক ভালবাসা ও দয়া
সৃষ্টি করেছেন এতে চিন্তাশীলদের জন্য বহু নিদর্শন আছে ।
আল কোরআন সুরা রুম আয়াত ঃ21
ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী নারী অথবা মুশরিকা নারীকেই বিয়ে করে
এবং ব্যভিচারিণীকে কেবল ব্যভিচারী অথবা মুশরিক পুরুষই বিয়ে করে
এবং এদেরকে মুমিনদের জন্যে হারাম করা হয়েছে।
আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ3
দুশ্চরিত্রা নারীকূল দুশ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে
এবং দুশ্চরিত্র পুরুষকুল দুশ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে।
সচ্চরিত্রা নারীকুল সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্যে
এবং সচ্চরিত্র পুরুষকুল সচ্চরিত্রা নারীকুলের জন্যে।
তাদের সম্পর্কে লোকে যা বলে, তার সাথে তারা সম্পর্কহীন।
তাদের জন্যে আছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা।
আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ26
সমান নয় ভাল ও মন্দ। জওয়াবে তাই বলুন যা উৎকৃষ্ট।
তখন দেখবেন আপনার সাথে যে ব্যক্তির শত্রুতা রয়েছে, সে যেন অন্তরঙ্গ বন্ধু।
এ চরিত্র তারাই লাভ করে, যারা সবর করে এবং
এ চরিত্রের অধিকারী তারাই হয়, যারা অত্যন্ত ভাগ্যবান।
আল কোরআন সুরা হা-মীম আয়াত ঃ 34,35

1 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন