প্রত্যেক জিনিসের নিয়ন্ত্রন আল্লাহর হাতে !
এই রসূলগণ-আমি তাদের কাউকে কারো উপর মর্যাদা দিয়েছি।
তাদের মধ্যে কেউ তো হলো তারা যার সাথে আল্লাহ কথা বলেছেন,
আর কারও মর্যাদা উচ্চতর করেছেন এবং আমি মরিয়ম তনয় ঈসাকে প্রকৃষ্ট মু’
জেযা দান করেছি এবং তাকে শক্তি দান করেছি ‘রুহূল কুদ্দুস’
অর্থৎ জিবরাঈলের মাধ্যমে। আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, ত
াহলে পরিস্কার নির্দেশ এসে যাবার পর পয়গম্বরদের পেছনে
যারা ছিল তারা লড়াই করতো না।
কিন্তু তাদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়ে গেছে।
অতঃপর তাদের কেউ তো ঈমান এনেছে, আর কেউ হয়েছে কাফের।
আর আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তাহলে তারা পরস্পর লড়াই করতো,
কিন্তু আল্লাহ তাই করেন, যা তিনি ইচ্ছা করেন।
আল কোরআন সুরা বাকারা আয়াত ঃ253
বলুন ইয়া আল্লাহ! তুমিই সার্বভৌম শক্তির অধিকারী।
তুমি যাকে ইচ্ছা রাজ্য দান কর এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য ছিনিয়ে নাও
এবং যাকে ইচ্ছা সম্মান দান কর আর যাকে ইচ্ছা অপমানে পতিত কর।
তোমারই হাতে রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ। নিশ্চয়ই তুমি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল।
তুমি রাতকে দিনের ভেতরে প্রবেশ করাও এবং দিনকে রাতের ভেতরে প্রবেশ করিয়ে দাও।
আর তুমিই জীবিতকে মৃতের ভেতর থেকে বের করে আন
এবং মৃতকে জীবিতের ভেতর থেকে বের কর।
আর তুমিই যাকে ইচ্ছা বেহিসাব রিযিক দান কর।
আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 26,27
আর আল্লাহর হুকুম ছাড়া কেউ মরতে পারে না-সেজন্য একটা সময় নির্ধারিত রয়েছে।
বস্তুতঃ যে লোক দুনিয়ায় বিনিময় কামনা করবে, আমি তাকে তা দুনিয়াতেই দান করব।
পক্ষান্তরে-যে লোক আখেরাতে বিনিময় কামনা করবে, ত া
থেকে আমি তাকে তাই দেবো। আর যারা কৃতজ্ঞ তাদেরকে আমি প্রতিদান দেবো
আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 145
অতঃপর তোমাদের উপর শোকের পর শান্তি অবতীর্ণ করলেন,
যা ছিল তন্দ্রার মত। সে তন্দ্রায় তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ ঝিমোচ্ছিল
আর কেউ কেউ প্রাণের ভয়ে ভাবছিল। আল্লাহ সম্পর্কে তাদের মিথ্যা ধারণা হচ্ছিল মুর্খদের মত।
তারা বলছিল আমাদের হাতে কি কিছুই করার নেই?
তুমি বল, সবকিছুই আল্লাহর হাতে। তারা যা কিছু মনে লুকিয়ে রাখে-তোমার নিকট প্রকাশ করে না সে সবও।
তারা বলে আমাদের হাতে যদি কিছু করার থাকতো, তাহলে আমরা এখানে নিহত হতাম না।
তুমি বল, তোমরা যদি নিজেদের ঘরেও থাকতে তবুও তারা অবশ্যই বেরিয়ে আসত
নিজেদের অবস্থান থেকে যাদের মৃত্যু লিখে দেয়া হয়েছে।
তোমাদের বুকে যা রয়েছে তার পরীক্ষা করা ছিল আল্লাহর ইচ্ছা,
আর তোমাদের অন্তরে যা কিছু রয়েছে তা পরিষ্কার করা ছিল তাঁর কাম্য।
আল্লাহ মনের গোপন বিষয় জানেন।
আল কোরআন সুরা আল ইমরান আয়াত ঃ 154
তোমরা যেখানেই থাক না কেন; মৃত্যু কিন্তু তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই।
যদি তোমরা সুদৃঢ় দূর্গের ভেতরেও অবস্থান কর, তবুও।
বস্তুতঃ তাদের কোন কল্যাণ সাধিত হলে তারা বলে যে, এটা সাধিত হয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে।
আর যদি তাদের কোন অকল্যাণ হয়, তবে বলে, এটা হয়েছে তোমার পক্ষ থেকে, বলে দাও,
এসবই আল্লাহর পক্ষ থেকে। পক্ষান্তরে তাদের পরিণতি কি হবে, যারা কখনও কোন কথা বুঝতে চেষ্টা করে না।
আল কোরআন সুরা নিসা আয়াত ঃ 78
আর যদি আল্লাহ তোমাকে কোন কষ্ট দেন, তবে তিনি ব্যতীত তা অপসারণকারী কেউ নেই।
পক্ষান্তরে যদি তোমার মঙ্গল করেন, তবে তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।
তিনিই পরাক্রান্ত স্বীয় বান্দাদের উপর। তিনিই জ্ঞানময়, সর্বজ্ঞ।
আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ 17,18
আর যদি তাদের বিমুখতা আপনার পক্ষে কষ্টকর হয়, তবে আপনি যদি ভূতলে কোন সুড়ঙ্গ
অথবা আকাশে কোন সিড়ি অনুসন্ধান করতে সমর্থ হন, অতঃপর তাদের কাছে কোন
একটি মোজেযা আনতে পারেন, তবে নিয়ে আসুন। আল্লাহ ইচ্ছা করলে
সবাইকে সরল পথে সমবেত করতে পারতেন।
অতএব, আপনি নির্বোধদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না।
আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ 35
যারা আমার নিদর্শনসমূহকে মিথ্যা বলে, তারা অন্ধকারের মধ্যে মূক ও বধির।
আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন এবং যাকে ইচ্ছা সরল পথে পরিচালিত করেন।
আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ 39
অতঃপর আল্লাহ যাকে পথ-প্রদর্শন করতে চান, তার বক্ষকে ইসলামের জন্যে উম্মুক্ত করে দেন
এবং যাকে বিপথগামী করতে চান, তার বক্ষকে সংকীর্ণ অত্যধিক
সংকীর্ণ করে দেন-যেন সে সবেগে আকাশে আরোহণ করছে।
এমনি ভাবে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে না।
আল্লাহ তাদের উপর আযাব বর্ষন করেন।
আল কোরআন সুরা আন আম আয়াত ঃ 125
যাকে আল্লাহ পথ দেখাবেন, সেই পথপ্রাপ্ত হবে।
আর যাকে তিনি পথ ভ্রষ্ট করবেন, সে হবে ক্ষতিগ্রস্ত।
আর আমি সৃষ্টি করেছি দোযখের জন্য বহু জ্বিন ও মানুষ।
তাদের অন্তর রয়েছে, তার দ্বারা বিবেচনা করে না, তাদের চোখ রয়েছে, তার দ্বারা দেখে না,
আর তাদের কান রয়েছে, তার দ্বারা শোনে না।
তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং তাদের চেয়েও নিকৃষ্টতর।
তারাই হল গাফেল, শৈথিল্যপরায়ণ।
আল কোরআন সুরা আরাফ আয়াত ঃ 178, 179
নিশ্চয়ই তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহ যিনি তৈরী করেছেন আসমান ও যমীনকে
ছয় দিনে, অতঃপর তিনি আরশের উপর অধিষ্ঠিত হয়েছেন।
তিনি কার্য পরিচালনা করেন। কেউ সুপারিশ করতে পাবে না
তবে তাঁর অনুমতি ছাড়া ইনিই আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা।
অতএব, তোমরা তাঁরই এবাদত কর। তোমরা কি কিছুই চিন্তা কর না ?
আল কোরআন সুরা ইউনুস আয়াত ঃ3
তুমি বল, আমি আমার নিজের ক্ষতি কিংবা লাভেরও মালিক নই,
কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন। প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্যই একেকটি ওয়াদা রয়েছে,
যখন তাদের সে ওয়াদা এসে পৌঁছে যাবে, তখন না
একদন্ড পেছনে সরতে পারবে, না সামনে ফসকাতে পারবে,।
আল কোরআন সুরা ইউনুস আয়াত ঃ 49
সুতরাং কোন জনপদ কেন এমন হল না যা ঈমান এনেছে অতঃপর তার সে ঈমান গ্রহণ হয়েছে কল্যাণকর?
অবশ্য ইউনুসের সম্প্রদায়ের কথা আলাদা। তারা যখন ঈমান আনে তখন আমি তুলে নেই তাদের উপর
থেকে অপমানজনক আযাব-পার্থিব জীবনে এবং তাদের কে কল্যাণ পৌছাই এক নিধারিত সময় পর্যন্ত।
আল কোরআন সুরা ইউনুস আয়াত ঃ98
সেখানে তাদের প্রার্থনা হল ‘পবিত্র তোমার সত্তা হে আল্লাহ’।
আর শুভেচ্ছা হল সালাম আর তাদের প্রার্থনার সমাপ্তি হয়, ‘সমস্ত প্রশংসা বিশ্বপালক আল্লাহর জন্য’ বলে।
আল কোরআন সুরা ইউনুস আয়াত ঃ 10
আল্লাহ তা’আলা মুমিনদেরকে মজবুত বাক্য দ্বারা মজবুত করেন।
পার্থিবজীবনে এবং পরকালে। এবং আল্লাহ জালেমদেরকে পথভ্রষ্ট করেন। আল্লাহ যা ইচ্ছা, তা করেন।
আল কোরআন সুরা ইব্রাহিম আয়াত ঃ 27
সরল পথ আল্লাহ পর্যন্ত পৌছে এবং পথগুলোর মধ্যে কিছু বক্র পথও রয়েছে।
তিনি ইচ্ছা করলে তোমাদের সবাইকে সৎপথে পরিচালিত করতে পারতেন।
আল কোরআন সুরা নাহল আয়াত ঃ 9
আল্লাহ ন্যায়পরায়ণতা, সদাচরণ এবং আত্নীয়-স্বজনকে দান করার আদেশ দেন
এবং তিনি অশ্লীলতা, অসঙ্গত কাজ এবং অবাধ্যতা করতে বারণ করেন।
তিনি তোমাদের উপদেশ দেন যাতে তোমরা স্মরণ রাখ।
আল কোরআন সুরা নাহল আয়াত ঃ 90
আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের জ্যোতি, তাঁর জ্যোতির উদাহরণ যেন একটি কুলঙ্গি,
যাতে আছে একটি প্রদীপ, প্রদীপটি একটি কাঁচপাত্রে স্থাপিত, কাঁচপাত্রটি উজ্জ্বল নক্ষত্র সদৃশ্য।
তাতে পুতঃপবিত্র যয়তুন বৃক্ষের তৈল প্রজ্বলিত হয়, যা পূর্বমুখী নয় এবং পশ্চিমমুখীও নয়।
অগ্নি স্পর্শ না করলেও তার তৈল যেন আলোকিত হওয়ার নিকটবর্তী। জ্যোতির উপর জ্যোতি।
আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথ দেখান তাঁর জ্যোতির দিকে।
আল্লাহ মানুষের জন্যে দৃষ্টান্তসমূহ বর্ণনা করেন এবং আল্লাহ সব বিষয়ে জ্ঞাত।
আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ 35
যারা কাফের, তাদের কর্ম মরুভুমির মরীচিকা সদৃশ, যাকে পিপাসার্ত ব্যক্তি পানি মনে করে।
এমনকি, সে যখন তার কাছে যায়, তখন কিছুই পায় না
এবং পায় সেখানে আল্লাহকে, অতঃপর আল্লাহ তার হিসাব চুকিয়ে দেন।
আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।
আল কোরআন সুরা নুর আয়াত ঃ39
আপনার পালনকর্তা যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন এবং পছন্দ করেন।
তাদের কোন ক্ষমতা নেই। আল্লাহ পবিত্র এবং তারা যাকে শরীক করে, তা থেকে উর্ধ্বে।
আল কোরআন সুরা কাসাস আয়াত ঃ 68
অতঃপর তিনি আকাশমন্ডলীকে দু’দিনে সপ্ত আকাশ করে দিলেন
এবং প্রত্যেক আকাশে তার আদেশ প্রেরণ করলেন।
আমি নিকটবর্তী আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুশোভিত ও সংরক্ষিত করেছি।
এটা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ আল্লাহর ব্যবস্থাপনা।
আল কোরআন সুরা সাজদা আয়াত ঃ 12
যখন তাদের কাছে রসূলগণ এসেছিলেন সম্মুখ দিক থেকে
এবং পিছন দিক থেকে এ কথা বলতে যে, তোমরা আল্লাহ ব্যতীত কারও পূজা করো না।
তারা বলেছিল, আমাদের পালনকর্তা ইচ্ছা করলে অবশ্যই ফেরেশতা প্রেরণ করতেন,
অতএব, আমরা তোমাদের আনীত বিষয় অমান্য করলাম।
আল কোরআন সুরা সাজদা আয়াত ঃ 14
অথচ তারা পূর্ব থেকে সত্যকে অস্বীকার করছিল।
আর তারা সত্য হতে দূরে থেকে অজ্ঞাত বিষয়ের উপর মন্তব্য করত।
আল কোরআন সুরা সাবা আয়াত ঃ 53
অহংকার করে এ বিষয়ে অর্থহীন গল্প-গুজব করে যেতে।
আল কোরআন সুরা মুমিনুন আয়াত ঃ 67
ফেরাউন বলল, আমার অনুমতি দানের পূর্বেই তোমরা কি তাকে মেনে নিলে?
নিশ্চয় সে তোমাদের প্রধান, যে তোমাদেরকে জাদু শিক্ষা দিয়েছে।
শীঘ্রই তোমরা পরিণাম জানতে পারবে।
আমি অবশ্যই তোমাদের হাত ও পা বিপরীত দিক থেকে কর্তন করব।
এবং তোমাদের সবাইকে শূলে চড়াব।
তারা বলল, কোন ক্ষতি নেই। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তন করব।
আল কোরআন সুরা আশুরা আয়াত ঃ 49,50
অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?
উভয় উদ্যানে আছে বহমান দুই প্রস্রবন।
আল কোরআন সুরা রহমান আয়াত ঃ 49,50
অতঃপর তাকে পূর্ণ প্রতিদান দেয়া হবে।
আল কোরআন সুরা নাজম আয়াত ঃ 41
অতঃপর তুমি তোমার পালনকর্তার কোন অনুগ্রহকে মিথ্যা বলবে?
আল কোরআন সুরা নাজম আয়াত ঃ 55
পৃথিবীতে এবং ব্যক্তিগতভাবে তোমাদের উপর কোন বিপদ আসে না;
কিন্তু তা জগত সৃষ্টির পূর্বেই কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। নিশ্চয় এটা আল্লাহর পক্ষে সহজ।
আল কোরআন সুরা হাদীদ আয়াত ঃ 22

0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন