ইমু হ্যাক করা কি আসলে সম্ভব
ওমর ফারুক
আমদের বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড স্বামী কিংবা স্ত্রী !
তারা কখন কি করতেছে আমরা তা জানতে চাই ।
তাদরে কি জিজ্ঞসা করলে আমদের তা বলে দেবে ।
এমনটা কারো কাছ থেকে আসা করা বোকামি !
আমি আজ পর্যন্ত কাউকে নিজের দোষ স্বীকার যেতে দেখে নাই !
কেউ যদি হাতে নাতে ধরা খায় তাহলে সেটা অন্য কথা ।
আর আপনি চাইলে যে জানতে পারবেন , সেটা আসা করা বোকামি !
আপনার কি হ্যাকিং কোন নলেজ আছে !
আপনার কি কোন ধরনের কোড়িং নলেজ আছে ।
না থাকলে তাহেল আপনার খেয়ে আপনার পরে আপনার
সাথে মধুর মধুর কথা বলে অন্য জনের সাথে পরকিয়া লিপ্ত হবে ।
আর আপনার অন্ধ বিশ্বাসের কারনে আপনাকে কঠিন ফল ভোগ করতে হবে ।
বর্তমান দুনিয়া ইন্টারনেট দুনিয়া , এই দুনিয়া কখন কে কার আপন হয়ে যায় বুঝা মুসকিল ।
তবে আমার কাছে এর সমাধান আছে । আমাদের প্রিয় জনের চাইতে প্রযুক্তির দিকে নজর দিতে হবে ।
প্রথমে আমি সেই কথা বলবো সেটা হচ্ছে কাউকে অন্ধের মতো বিশ্বাস করা ঠিক না !
যাকে অন্ধের মতো বিশ্বাস করবেন সেই এক দিন আপনাকে ঠাকাবে ।
আমি ওমর ফারুক প্রযুক্তিবিদ আজ আমার বাস্তব জীবনের ।
ইমু হ্যাকিং এর অভিজ্ঞতা আপনদের সাথে শেয়ার করতে চলেছি ।
প্রথমে বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড কথা নিয়ে আলোচনা করবো পরে স্বামি স্ত্রী নিয়ে আলোচনা করবো ।
1. আপনার বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড সেই কি আগের মতো আপনাকে সময় দেয় না ।
2. আপনাদের মাঝে যে কথা বার্তা হয় তা কি খুবই সংক্ষিপ্ত ।
3. তাকে কোন কিছু জিজ্ঞসা করলে সেই কি রেগে যায় ।
4. আপনি তার রাগ ভাঙ্গতে গেলে সেই কি ভাব নিয়ে বসে থাকে ।
5. কথায় কথায় সেই কি আপনার দোষ ধরে ।
6. তার ব্যাক্তিগত জীবনে কোন কিছু জিজ্ঞসা করলে সেই কি এড়িয়ে যায় ।
7. সেই কি আপনার এসএম এস দেরি করে রিপ্লাই দেয় ।
8. কথায় কথায় আপনাকে ব্লক মারে ।
5.মাঝে মধ্যে আপনি তার মোবাইল ব্যাস্ত পান ।
6. অল্প একটু কথা বলে সেই লাইন কেটে দেয় ।
7. আপনি তাকে কোন কিছু জিজ্ঞসা করলে সেই দক্ষতার সাথে এড়িয়ে যায় ।
তাহলে বুঝবেন তার ভিতর কোন সমস্যা আছে, সেই জন্য সেই এমন করতেছে ।
আমি ওমর ফারুক আজ আপনার মনের চাহিদা পূরণ করবো ।
কথা দেন আমর দেয়া তর্থ্যা ভিত্তি কখনো কারো ক্ষতি করবেন না ।
আমি শুধু জ্ঞান অর্জনের জন্য সেই প্রযুক্তি আপনাদের সামনে তুলে ধরতেছি ।
প্রথম কথায় আসি আপনে যে তাকে সন্দেহ করতে শুরু করেছেন সেটা তাকে কখনো বুঝতে দেয়া যাবেনা ।
সেই যেভাবে আপনার সাথে কথা বলে আপনি সেই ভাবে কথা বলেন ।
কখনো তাকে মারধোর বা কটু কথা বলা যাবে না ।
নিজের মনকে শান্ত রাখুন ,নইলে কখনো তার গোপন কথা জানতে পারবেন না ।
যারা নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে তারাই এক দিন সফলতার মুখ দেখে ।
প্রথম প্রদ্ধত্তি :
এই বার প্রথম কথা আসি আপনার বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড সেই কি আপনার কথাকাছি থাকে ।
নাকি দূরে থাকে চাইলে সহজে দেখা করা যায় না !
তবে কাছ কাছি থাকলে বেশি সুবিধা , মন চাইলে আপনি তার মোবাইল ধরতে পারবেন ।
এবং কৌশলে তার কাছ থেকে ভেরিফিকেশন কোড় নিতে পারবেন ।
আর এক বার নিতে পারলে দ্বিতীয় বার আপনাকে আর কষ্ট করতে হবে না ।
কারন কোন মোবাইলে এক বার তার ইমু আইড়ি ব্যাবহার করলে সেটা আপনি যখন চাইবেন তখন প্রবেশ করতে পারবেন ।
এটা কেবল ইমুর বেলা সম্ভব ফেসবুকের বেলা সম্ভব নয় । ফেসবুকের বেলা অন্য এক সময় আলোচনা করবো ।
আমরা সবাই জানি যে ভেরিফিকেশন কোড় ছাড়া কোন কিছু হ্যাক করা যায় ।
তাই বলে কি আমরা হাল ছেড়ে দেবো , আরে রাখেন হ্যাকরেরা পারে না দুনিয়া এমন কিছু আছে নাকি ?
দ্বিতীয় পদ্ধত্তি :
এই বার আসল কথায় আসি আপনি যার ইমু আইড়ি হ্যাক করতে চান সেই আপনা থেকে দূরে ।
এখন তার ইমু হ্যাক করতে চাইলে তার মোবাইল নম্বর জানতে হবে ।
এবং সেই নম্বরে একটি ভেরিফিকেশন কোড় যাবে ।
আর এটা না দিলে কোন কিছূতেই তার আইড়িতে প্রবেশ করতে পারবেন না ।
তাকে তো কোন কিছূতেই সেই কোড় জিজ্ঞসা করা যাবেনা ।
আর যদি জিজ্ঞসা করেন তাহলে সেটা কখনো হ্যাকিং হবে না ।
তাহলে এখন কি করবেন হাল ছেড়ে দিবেন । না বাস্তব হ্যাকারেরা হাল ছাড়ে না ।
আমি ইউটুবে অনেক ভিডিও দেখেছি বাস্তবে তা ভূয়া শুধূ শুধূ ভিউ বাড়ানের বুদ্ধি ।
আর দুই একটা থাকলে ও তারা অনেক কিছু এড়িয়ে যায় ।
যাই হোক আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতেছি ।
প্রথমে যার আইড়ি হ্যাক করবেন তার মোবাইল নম্বর জেনে নিন ।
তার পর লগিন বাটনে ক্লিক করলে বাংলাদেশ হলে কান্ট্রি কোড় + 88 - ইমু নম্বর দিবেন ।
তার পাশে এক একটি চিহ্ন দেখতে পাবেন সেখানে ক্লিক করুন ।
কনফ্রাম বাটনে ক্লিক করুন এইবার চার সংখ্যা একটি কোড় চাইবে ,
আর এটা না দিলে কিছূতেই তার আইড়িতে প্রবেশ করতে পারবে না।
সমস্যা নাই আপনি **6*8801 আপনার নম্বর থেকে তার ইমু নম্বরে এসএমএস পাঠান ।
এবং সময় বেধে দেওয়া অনুযায়ী ইচ্ছামত চার সংখ্যা কোড় বসাতে থাকুন ।
হয় তো মিলে যেতে পারে , না মিললে চেষ্টা করতে থাকুন ।
এর পর যদি না হয় তাহলে মোবাইলের ডাটা বন্ধ রেখে ঘন্টা খানিক অপেক্ষা করুন ।
কিছু ক্ষন পর আবার চেষ্টা করুন দেখবেন হয়ে যাবে
এই বার স্বামী স্ত্রী নিয়ে আলোচনা করবো ।
সধারনত যারা বউকে রেখে বিদেশ চলে যায় তাদের উদ্দেশ্যে বলবো বউকে অন্ধ বিশ্বাস করবেন না ।
সেই আপনার ফ্যামেলির নামে বাজে মন্তব্য করবে তার উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ।
ধরুন আপনি বিদেশ বউয়ের নামে টাকা পাঠান । আপনি কি কখনো চাইতে চেয়েছেন সেই টাকা কিভাবে খরচ করে ।
এখন বউয়ের ইমু হ্যাকিং নিয়ে আলোচনা করবো ।
আপনার বউয়ের ইমু আড়িতে প্রবেশ করার জন্য লগইন করুন।
তার আগে আপনার বিশ্বস্ত আপনার পরিবারের যে কেউ কে নিজের বউয়ের মোবাইলের
আশে পাশে ঘুরাঘুরি করতে বলুন । এবং কৌশলে কোড় নম্বর জানতেছে বলুন ।
একবার জেনে গেলে আপনাকে আর কষ্ট করতে হবে না ।
আর যদি না পারেন কমেন করে তার হেনসেট নাম ও মড়েল নম্বর জানাবেন ।
আমি না পারলে ডাক ওয়েব ডীব ওয়েব এর মধ্যে আপনাদের একটা সমাধান দেবো ।

0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন