মিসাইল
ওমর ফারুক
মিসাইলের গতি তিন ধরনের স্বল্প পাল্লার মধ্যম পাল্লার দূর পাল্লার ।
মিসাইল দুই প্রকার গাইডেড মিসাইল আনগাইডেড মিসাইল !
মিসাইল দুই প্রকার গাইডেড মিসাইল আনগাইডেড মিসাইল !
যে মিসাইল শত্রুকে ধাওয়া করে দিক পরিবর্তন করতে পারে তাকে গাইডেড মিসাইল ।
যে মিসাইল ছুডার পর দিক পরিবর্তন করতে পারে না তাকে আনগাইডেড মিসাইল বলে ।
মিসাইল যে কোন ক্যারিয়ারে বহন করা যায় ।
আক্রমনের দিক দিয়ে বহুরুপি
আন্টি শিপ আন্টি ট্যাঙ্ক সারফেস টু এয়ার
আন্টি ব্যালিস্টিক এয়ার টু এয়ার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ।
বায়ু মন্ডলে শব্দের গতি বারোশত প্যারাওয়াড !
কিছু মিসাইল শব্দের গতি থেকে সাত গুন বেশি ।
মিসাইল ছুটে চলে এর থার্ডফোস্ট এর মাধ্যমে ।
মিসাইলে সামনের অংশকে নোজ বলে ।
মিসাইলে নাকের দিকে থাকে সিকার বা সন্ধানকারি ।
সিকারের মাধ্যমে কোন বস্তুকে টাগের্ট করা হয় ।
সিকার যে কোন বস্তুর দূরত্ব গতি নির্ণয় করার জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় ।
থারমাল ইমেজ ইনফ্লরেড ইমেজ রেজার লাইট রেডিও ওয়েব স্যাটেলাইট নেভিগেশন টিভি গাইডেড ।
রেডিও ওয়েব এর মাধ্যমে বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করা হয় এবং আক্রমন করা হয়।
রেডিও ওয়েব এক ধরনের আলো যা খালি চোখে দেখা যায় না ।
রেডিও ওয়েব কোন বস্তুর উপর পড়লে তা পূনরায় ফিরে আসে ।
রেডিও ওয়েব এর গতি প্রতি সেকেন্ডে তিন লক্ষ কিলোমিটার ।
ভেজি স্টেশন রাডারের মাধ্যমে শত্রুকে শনাক্ত করে -
সিকারে লক করে দেয় ।
সিকারে একটি এন্টিনার থাকে যা প্রতি নিয়ত রেডিও ওয়েব বিকিরন করতে থাকে ।
রেডিও ওয়েব লক্ষ্য বস্তু হতে প্রতি ফলিত হয়ে পূনরায় এন্টিনারে ফিরে আসে ।
আসা যাওয়ার সময় হিসাব করে অতি সহজে লক্ষ্য বস্তুর দূরত্ব নির্ণয় করা হয় ।
এবং পরপর দুটি সিগনাল ফিরে আসার মাধ্যমে লক্ষ্য বস্তুর গতি অবস্থান নির্ণয় করা হয় ।
মিসাইলে ব্যবহার করা হয় তিনটি গাইডেড স্কুফ তিনটি এক্সালা মিটার সেন্সর ।
উভয় সেন্সরে মিসালে ইমোশন বেগ সিকার থেকে পাপ্ত এবং সেন্সর থেকে পাওয়া তর্থ্য
মিসাইলে কন্ট্রোল বোর্ডে পাঠানো হয় যা একটি মিনি কম্পিউটার ।
কন্ট্রোল বোর্ড সকল তর্থ্য বিশ্লেষণ করে ।
শত্রু পক্ষের সহজ পথ খুজে বের করে ।
তর্থ্য পাতার মাধ্যমে মিসাইলের দিক পরিবর্তন হয় ।
এ ছাড়া মিসাইলে ইনফেরেডি সিস্টেম ক্যামরার দ্বারা শত্রুকে আক্রমন করা হয় ।
তার পর রয়েছে ওয়ার হেড এর ভিতরে উন্নতমানের দার্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ ।
লক্ষ্য বস্তুকে আঘাত আনার সাথে সাথে বিষ্ফোরণ হয় ।
শক্তি বৃদ্ধি হিসাবে কোন কোন মিসাইলে ইউরোনিয়াম ব্যবহার করা হয় ।
যা পারমানবিক বোমার কাচামাল তবে ইউরোনিয়ারে পরিমান অল্প থাকে ।
একে নিউক্লিয়াস মিসাল বলে ।
ব্লাডার এর ভিতরে ফিউল হিসাবে ফিলে হাইফি রিফাইনার কেরোসিন থাকে ।
যাকে আরপিটি বলে এর সাথে কমবাস্টন চেম্বার এর ভিতরে বাতাস ও ফিউলের মাধ্যমে
শক্তিশালি টাস্টফোর্স উদপন্ন হয় । এর পিছনে সলিড ফপার ল্যান্ড থাকে ।
সলিড ফপার ল্যান্ডে ব্যবহার করা হয় গান পাউডার যা বারুদ নামে পরিচিত ।
বারুদ বিষ্ফোরিত হয়ে শক্তিশালী গ্যাস উৎপন্ন হয় ।
উৎপন্ন গ্যাস নজেল দিয়ে বাইরে বের হতে থাকে এবং
মিসাইল দূত গতিতে সামনের দিকে এগিয়ে যায় ।
নিউট্রন এর সূত্র অনুযায়ী প্রত্যেক ক্রিয়ার সামান্য বিপরিত ক্রিয়া রয়েছে !
দশ থেকে পনের সেকেন্ডে মধ্যে সলিড ফিউল শেষ হয়ে মিসাইল থেকে আলাদা যায় ।
সাথে সাথে বেনজেড ইজ্ঞীল চালু হয়ে যায় । সামনের দিক হতে বাতাস কমবাস্টন চেম্বারে
প্রবেশ করতে থাকে পাশাপাশি ফিউল ব্লাডার হতে একটি পাম ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র
কণা স্প্রে করতে থাকে । মিশ্রিত হাইপেসার বাতাস ও ফিউলের
সপফ্লাই মাধ্যমে ফায়ার করা হয় সপফ্লাই হাই ভোল্ট এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক সিগনাল উৎপন্ন হয় ।
ফলে বাতাস ও ফিউলের মধ্যে আগুন ধরে যায় ।
এবং প্রচন্ড শক্তিশালী গ্যাস উৎপন্ন হয় । সেই পিছনের দিকে প্রচন্ড ভাবে বের হতে থাকে ।
এবং মিসাইল সামনের দিকে এগিয়ে যায় ।
এবং মিসাইল সামনের দিকে এগিয়ে যায় ।
সিকার লক্ষ্য বস্তুর দূরত্ব অবস্থান গ্রহণ করে কন্টোল বোডে পাঠিয়ে দেয় ।
কন্ট্রোল বোর্ড সেই তর্থ্য অনুযায়ী মিসাইলের দিক পরিবর্তন করে
লক্ষ্য বস্তুতে আঘাত আনার সাথে সাথে ওয়ার হেডে থাকা সকল পদার্থ
বিষ্ফোরিত হয়ে শত্রু পক্ষ ধ্বংশ হয়ে যায় ।
কন্ট্রোল বোর্ড সেই তর্থ্য অনুযায়ী মিসাইলের দিক পরিবর্তন করে
লক্ষ্য বস্তুতে আঘাত আনার সাথে সাথে ওয়ার হেডে থাকা সকল পদার্থ
বিষ্ফোরিত হয়ে শত্রু পক্ষ ধ্বংশ হয়ে যায় ।

0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন