আজিজ সানজার,
আজিজ সানজার (জন্ম ৭ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) হলেন একজন তুরষ্ক বংশভূতআমেরিকান প্রাণরসায়ন বিদ এবং কোষ বৈজ্ঞানিক।
ক্ষতিগ্রস্থ ডিএনএ পুর্নৎপাদন সংক্রান্ত গবেষণার জন্য
২০১৫ সালে তিনি থমাস লিন্ডাল ও পল মড্রিকের সাথে যৌথ ভাবে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।নোবেল পুরস্কার জয়ী প্রথম মুসলিম
আল-কিন্দি
প্রখ্যাত আরব পণ্ডিত। পাশ্চাত্য বিশ্বে তিনি লাতিনিকৃত "আলকিন্ডাস" (Alkindus) নামে পরিচিত।তিনি ছিলেন একাধারে দার্শনিক, বিজ্ঞানী, জ্যোতিষী, জ্যোতির্বিজ্ঞানী,
বিশ্বতত্ত্ববিদ, রসায়নবিদ, যুক্তিবিদ, গণিতজ্ঞ, সঙ্গীতজ্ঞ, পদার্থবিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানী এবং আবহবিজ্ঞানী।
মুসলিম পেরিপ্যাটেটিক দার্শনিকদের মধ্যে তিনিই প্রথম।
তাই তাকে মুসলিম পেরিপ্যাটেটিক দর্শনের জনক বলা যায়।
তার অনেক অর্জনের মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য ছিল
গ্রিক এবং হেলেনীয় দর্শনকে আরব জগতে পরিচিত করে তোলা।
এছাড়া বিজ্ঞানের অনেকগুলো শাখায় তিনি অগ্রদূতের ভূমিকা পালন করেছেন।
আলী ইবন সাহল রব্বান আল-তাবারী,
মনস্তাত্ত্বিক , ক্লিনিকাল সাইকিয়াট্রিক এবং ক্লিনিকাল সাইকোলজি এর অগ্রদূত
আহমেদ ইবনে সাহল আল-বাখি,
মানসিক স্বাস্থ্য জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞান, জ্ঞানীয় থেরাপি, সাইকোফিজিওলজি এবং সাইকোসোমেটিক ঔষধ এর অগ্রগামী
আল ফারাবী
একজন প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ও বিজ্ঞানী।এছাড়াও তিনি একজন মহাবিশ্বতত্ত্ববিদ, যুক্তিবিদ এবং সুরকার ছিলেন।
পদার্থ বিজ্ঞান, সমাজ বিজ্ঞান, দর্শন, যুক্তিশাস্ত্র, গণিতশাস্ত্র,
চিকিৎসাবিজ্ঞান প্রভৃতিতে তার অবদান উল্লেখযোগ্য।
পদার্থ বিজ্ঞানে তিনিই 'শূন্যতা'-র অবস্থান প্রমাণ করেছিলেন।
আবুল কাসিম আল জাহরাউয়ি ,
মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে মহৎ শল্যবিদ এবং তাকে আধুনিক শল্যচিকিৎসার জনক বলে গণ্য করা হয়।
চিকিৎসাবিজ্ঞান নিয়ে তার লেখা বইয়ের নাম কিতাবুল তাসরিফ।
এটি চিকিৎসা সংক্রান্ত ৩০ খন্ডের বিশ্বকোষ।
শল্যচিকিৎসার প্রক্রিয়া ও যন্ত্র নিয়ে তার অবদান প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যে আধুনিক কালেও প্রভাব ফেলেছে।
কিছু কিছু বিষয়ে এখনও ব্যবহার করা হয়
চিকিৎসকদের মধ্যে তিনি সর্বপ্রথম এক্টোপিক গর্ভধারণ নিয়ে বর্ণনা করেছেন।
হায়মোফিলিয়াকে তিনি সর্বপ্রথম বংশগত বৈশিষ্ট্য বলে উল্লেখ করেন
তিনি আলোকবিদ্যায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, বিশেষ করে দর্শনানুভূতির ব্যাখ্যায়।
তার সর্বাপেক্ষা প্রভাবশালী কাজ হচ্ছে তার কিতাবুল মানাজির
( "আলোকবিদ্যার গ্রন্থ" আরবিঃ كتاب المناظ) ,যা ১০১১ ও ১০২১ এর মধ্যে লেখা বলে অনুমান করা হয় ।
তিনি একজন বহুবিদ্যাবিশারদ যিনি দর্শন, ধর্মতত্ত্ব সম্পর্কেও লিখেছেন।
সর্বপ্রথম হাসান ইবনুল হায়সামই দর্শনানুভূতির ব্যাখ্যায় প্রমাণ দিতে সক্ষম হয়েছিলেন
যে আলো বস্তু হতে প্রতিফলিত হয়ে চোখে আসে বলেই তা দৃশ্যমান হয়।
তিনি এটাও আলাদা করতে পেরেছিলেন দর্শনানুভূতির কেন্দ্র চোখে নয়, বরং মস্তিষ্কে।
তিনি তার এই তত্ত্বের অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন
শহরের বাইরে বসবাস করতেন বলে সাধারণভাবে তিনি আল-বেরুনি নামে পরিচিত।
রুশীয় তুর্কিস্তানের খিওয়ায় এটি অবস্থিত ছিল।
শহরটি খাওয়ারিজিমের রাজধানীর কাছে ছিল।
বর্তমানে শহরটি নদীতে বিলীন হয়ে গিয়েছে।
এখন এ স্থানটি আল-বেরুনি শহর নামে অভিহিত।
তিনি ছিলেন গণিত, জ্যোতিঃপদার্থবিদ, রসায়ন ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞানে পারদর্শী।
অধিকন্তু ভূগোলবিদ, ঐতিহাসিক, পঞ্জিকাবিদ, দার্শনিক
এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান, ভাষাতত্ত্ববিদ ও ধর্মতত্ত্বের নিরপেক্ষ বিশ্লেষক।
স্বাধীন চিন্তা, মুক্তবুদ্ধি, সাহসিকতা, নির্ভীক সমালোচক ও সঠিক মতামতের জন্য যুগশ্রেষ্ঠ বলে স্বীকৃত।
হিজরি চতুর্থ শতাব্দীর শেষার্ধ ও পঞ্চম শতাব্দীর প্রথমার্ধকে
আল-বেরুনির কাল বলে উল্লেখ করা হয়।
তিনি সর্বপ্রথম প্রাচ্যের জ্ঞানবিজ্ঞান, বিশেষ করে ভারতের
জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতি মুসলিম মনীষীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন।
অধ্যাপক মাপা বলেন, "আল-বেরুনি শুধু মুসলিম বিশ্বেরই নন
, বরং তিনি ছিলেন সমগ্র বিশ্বের শ্রেষ্ঠ জ্ঞানীদের একজন
তাঁকে একইসাথে ইরান, তুরস্ক, আফগানিস্তান এবং রাশিয়ার বিজ্ঞজনেরা
তাদের জাতীয় জ্ঞানবীর হিসেবে দাবি করে।
মধ্যযুগীয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের ভিত রচনায় তিনি অবদান রেখেছেন।
তাঁর মূল অবদান ছিল চিকিৎসা শাস্ত্রে। তিনি চিকিৎসা শাস্ত্রের
বিশ্বকোষ কানুন ফিততিব্ব রচনা করেন যা ঊনবিংশ শতাব্দী
পর্যন্ত প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে পাঠ্য ছিল।
একজন মুসলিম আন্দালুসীয় বহুবিদ্যাবিশারদ এবং আইনবিদ
যিনি দর্শন ধর্মতত্ত্ব চিকিৎসাবিজ্ঞান জ্যোতির্বিজ্ঞান পদার্থবিজ্ঞান
মনোবিজ্ঞান গনিত ইসলামি আইনশাস্ত্র এবং ভাষাবিজ্ঞানসহ বহু বিষয়ে লিখেছেন।
তিনি শতাধিক বই এবং গবেষণাপত্রের রচয়িতা।
তার দর্শন সংক্রান্ত কাজের মধ্যে আছে অ্যারিস্টটলের উপর বেশ কিছু ব্যাখ্যাগ্রন্থ,
যে কারণে তিনি পাশ্চাত্যে ব্যাখ্যাদাতা(The Commentator) এবং যুক্তিবাদের জনক হিসেবে পরিচিত
তিনি একাধারে একজন লেখক, ঔপন্যাসিক, দার্শনিক,
ধর্মতাত্ত্বিক, চিকিৎসক, উজির ও দরবারের কর্মকর্তা ছিলেন।
প্রথম দার্শনিক উপন্যাস হাই ইবনে ইয়াকজান রচনার জন্য তিনি অধিক সমাদৃত।
পাশ্চাত্য জগতে এটি ফিলোসফিকাল অটোডিডাকটাস নামে পরিচিত।
মরদেহ ব্যবচ্ছেদের সমর্থক প্রথমদিককার চিকিৎসকদের মধ্যে তিনি অন্যতম।
পদার্থ বিজ্ঞানে তিনিই 'শূন্যতা'-র অবস্থান প্রমাণ করেছিলেন।
আবুল কাসিম আল জাহরাউয়ি ,
মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে মহৎ শল্যবিদ এবং তাকে আধুনিক শল্যচিকিৎসার জনক বলে গণ্য করা হয়।
চিকিৎসাবিজ্ঞান নিয়ে তার লেখা বইয়ের নাম কিতাবুল তাসরিফ।
এটি চিকিৎসা সংক্রান্ত ৩০ খন্ডের বিশ্বকোষ।
শল্যচিকিৎসার প্রক্রিয়া ও যন্ত্র নিয়ে তার অবদান প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যে আধুনিক কালেও প্রভাব ফেলেছে।
কিছু কিছু বিষয়ে এখনও ব্যবহার করা হয়
চিকিৎসকদের মধ্যে তিনি সর্বপ্রথম এক্টোপিক গর্ভধারণ নিয়ে বর্ণনা করেছেন।
হায়মোফিলিয়াকে তিনি সর্বপ্রথম বংশগত বৈশিষ্ট্য বলে উল্লেখ করেন
হাসান ইবনে আল-হাইসাম
"আলোকবিজ্ঞানের জনক" হিসেবে উল্লেখিত হনতিনি আলোকবিদ্যায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, বিশেষ করে দর্শনানুভূতির ব্যাখ্যায়।
তার সর্বাপেক্ষা প্রভাবশালী কাজ হচ্ছে তার কিতাবুল মানাজির
( "আলোকবিদ্যার গ্রন্থ" আরবিঃ كتاب المناظ) ,যা ১০১১ ও ১০২১ এর মধ্যে লেখা বলে অনুমান করা হয় ।
তিনি একজন বহুবিদ্যাবিশারদ যিনি দর্শন, ধর্মতত্ত্ব সম্পর্কেও লিখেছেন।
সর্বপ্রথম হাসান ইবনুল হায়সামই দর্শনানুভূতির ব্যাখ্যায় প্রমাণ দিতে সক্ষম হয়েছিলেন
যে আলো বস্তু হতে প্রতিফলিত হয়ে চোখে আসে বলেই তা দৃশ্যমান হয়।
তিনি এটাও আলাদা করতে পেরেছিলেন দর্শনানুভূতির কেন্দ্র চোখে নয়, বরং মস্তিষ্কে।
তিনি তার এই তত্ত্বের অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন
আল বিরুনী
তার পূর্ণ নাম "আবু রায়হান মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ আল-বেরুনি"।শহরের বাইরে বসবাস করতেন বলে সাধারণভাবে তিনি আল-বেরুনি নামে পরিচিত।
রুশীয় তুর্কিস্তানের খিওয়ায় এটি অবস্থিত ছিল।
শহরটি খাওয়ারিজিমের রাজধানীর কাছে ছিল।
বর্তমানে শহরটি নদীতে বিলীন হয়ে গিয়েছে।
এখন এ স্থানটি আল-বেরুনি শহর নামে অভিহিত।
তিনি ছিলেন গণিত, জ্যোতিঃপদার্থবিদ, রসায়ন ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞানে পারদর্শী।
অধিকন্তু ভূগোলবিদ, ঐতিহাসিক, পঞ্জিকাবিদ, দার্শনিক
এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান, ভাষাতত্ত্ববিদ ও ধর্মতত্ত্বের নিরপেক্ষ বিশ্লেষক।
স্বাধীন চিন্তা, মুক্তবুদ্ধি, সাহসিকতা, নির্ভীক সমালোচক ও সঠিক মতামতের জন্য যুগশ্রেষ্ঠ বলে স্বীকৃত।
হিজরি চতুর্থ শতাব্দীর শেষার্ধ ও পঞ্চম শতাব্দীর প্রথমার্ধকে
আল-বেরুনির কাল বলে উল্লেখ করা হয়।
তিনি সর্বপ্রথম প্রাচ্যের জ্ঞানবিজ্ঞান, বিশেষ করে ভারতের
জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতি মুসলিম মনীষীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন।
অধ্যাপক মাপা বলেন, "আল-বেরুনি শুধু মুসলিম বিশ্বেরই নন
, বরং তিনি ছিলেন সমগ্র বিশ্বের শ্রেষ্ঠ জ্ঞানীদের একজন
ইবনে সিনা
ছিলেন মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম সেরা চিকিৎসক, গণিতজ্ঞ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং দার্শনিক ছিলেন।তাঁকে একইসাথে ইরান, তুরস্ক, আফগানিস্তান এবং রাশিয়ার বিজ্ঞজনেরা
তাদের জাতীয় জ্ঞানবীর হিসেবে দাবি করে।
মধ্যযুগীয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের ভিত রচনায় তিনি অবদান রেখেছেন।
তাঁর মূল অবদান ছিল চিকিৎসা শাস্ত্রে। তিনি চিকিৎসা শাস্ত্রের
বিশ্বকোষ কানুন ফিততিব্ব রচনা করেন যা ঊনবিংশ শতাব্দী
পর্যন্ত প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে পাঠ্য ছিল।
ইবনে রুশদ
একজন মুসলিম আন্দালুসীয় বহুবিদ্যাবিশারদ এবং আইনবিদ যিনি দর্শন ধর্মতত্ত্ব চিকিৎসাবিজ্ঞান জ্যোতির্বিজ্ঞান পদার্থবিজ্ঞান
মনোবিজ্ঞান গনিত ইসলামি আইনশাস্ত্র এবং ভাষাবিজ্ঞানসহ বহু বিষয়ে লিখেছেন।
তিনি শতাধিক বই এবং গবেষণাপত্রের রচয়িতা।
তার দর্শন সংক্রান্ত কাজের মধ্যে আছে অ্যারিস্টটলের উপর বেশ কিছু ব্যাখ্যাগ্রন্থ,
যে কারণে তিনি পাশ্চাত্যে ব্যাখ্যাদাতা(The Commentator) এবং যুক্তিবাদের জনক হিসেবে পরিচিত
ইবনে তুফায়েল
একজন আন্দালুসিয়ান মুসলিম পলিমেথ।তিনি একাধারে একজন লেখক, ঔপন্যাসিক, দার্শনিক,
ধর্মতাত্ত্বিক, চিকিৎসক, উজির ও দরবারের কর্মকর্তা ছিলেন।
প্রথম দার্শনিক উপন্যাস হাই ইবনে ইয়াকজান রচনার জন্য তিনি অধিক সমাদৃত।
পাশ্চাত্য জগতে এটি ফিলোসফিকাল অটোডিডাকটাস নামে পরিচিত।
মরদেহ ব্যবচ্ছেদের সমর্থক প্রথমদিককার চিকিৎসকদের মধ্যে তিনি অন্যতম।

0 coment rios:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন